
দপ্তর সম্পাদক থেকে ট্রেজারার: আইনজীবীদের আস্থায় জয়ী অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন ২০২৬-২০২৭ এ ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ) পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মোঃ জিয়াউর রহমান। বিএনপি-সমর্থিত “নীল প্যানেল” থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি ২ হাজার ৮২৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হন। এর আগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আইনজীবীদের আস্থা অর্জন করেছিলেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে সহকর্মী আইনজীবীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, পেশাগত আন্তরিকতা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্বের গুণাবলীর কারণেই এবারের নির্বাচনে তিনি উল্লেখযোগ্য বিজয় অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আইনজীবীদের অনেকেই বলছেন, জিয়াউর রহমানের এই বিজয় মূলত তাঁর গ্রহণযোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিরই প্রতিফলন।
দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের এ নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৪৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনের ফলাফলে সভাপতি পদে সর্বোচ্চ ভোটের পর কোষাধ্যক্ষ পদে জিয়াউর রহমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত প্রার্থী তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট অর্জন করেন।
এবারের নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে ১৩টিতেই বিজয় অর্জন করেছে বিএনপি-সমর্থিত নীল প্যানেল। অপরদিকে একটি পদে জয় পেয়েছে জামায়াতপন্থি সবুজ প্যানেলের প্রার্থী। ফলাফল ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট বার ভবন এলাকায় নীল প্যানেলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
নির্বাচনকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই আদালতপাড়ায় ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও আইনজীবীরা।
নবনির্বাচিত ট্রেজারার জিয়াউর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে সহকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি অতীতের ন্যায় সততা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বার অ্যাসোসিয়েশনের আর্থিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবেন এবং আইনজীবীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।