পরযায়ী পাখি ভিনদেশীয় পাখিগুলো আমার দেশের অতিথ উড়াল দিয়ে আসে ছুটে আমার দেশের পথিক। শুট করো না ওদের যেন যতন করে রাখো বিপদ এলে ভালোবেসে আল্লাহকে ডাকো শীত কুয়াশায়
জন্মদিনে একাকী আজ আমার জন্মদিন, অথচ ঘরটা অদ্ভুত নিস্তব্ধ। দরজার ফাঁক দিয়ে আসা আলোও আজ যেন ক্লান্ত। টেবিলে রাখা কেকের পাশে ধুলো জমে আছে, অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকেও মোম জ্বালালাম না।
হেমন্তের পরশ অপরূপা হেমন্তের কুয়াশা ঝরা ভোর মৌ মৌ করে গন্ধে, খুলে যবে দোর। গাছে ঝুলে আছে খেজুর রসের হাঁড়ি ভোরে উঠে রসের হাঁড়ি নিয়ে আসে বাড়ি। খেজুর রসের পায়েস,
শীত এলে শীত এলে শীত পেলে – ভরে আমার মনটা। খুবই ভালো লাগে যে – শীতকালীন ক্ষণটা। শীত এলে খেতে মজা — নানা জাতের মাছ। পেতে ভালো লাগে যে –
মা মা আমার পৃথিবী, মা আমার সুখ। মায়ের কথা শুনলে, ঠান্ডা হয় বুক। মা আমার বেহেশত, মা আমার পুণ্য। মায়ের উদরে জন্মে, জীবন আমার ধন্য। মা আমার আকাশ, চাঁদের আলোয়
বার্ষিক পরীক্ষার দিন বার্ষিক পরীক্ষা এসেছে মনটা টান টান খাতার পাতায় স্বপ্ন জাগে চোখে আলো থান সকাল ভোরে পড়ার টেবিল চাই মনোযোগ মনে মনে প্রার্থনা করি হোক না সফল যোগ
বই পড়া আসুন সবাই বই পড়ি- কাজের ফাঁকে ফাঁকে। আসুন সবাই মন দেই – বইয়ের তাকে তাকে। আসুন
ভূমিকম্প ভূমিকম্পে পাকাবাড়ি উঠলো হঠাৎ কেঁপে উথাল -পাতাল পুকুর পানি উপচে উঠলো ঝেঁপে। শোকেস ভরা কাঁচের জিনিস, ভেঙে
মোবাইল দেখা মোবাইল ছাড়া কারো কারো, হয়না টয়লেট ক্লিয়ার। কমোডে বসে দেখতে থাকে , এইচডি ভিডিও গ্লেয়ার।কারো কারো মোবাইল ছাড়া, হয়না রাতে ঘুম। বুকের নিচে বালিশ রেখে, স্কিনে দেয়
বনের রাজা মায়াবন জুড়ে ডাকে, বনের রাজা, ভয়হীন, সিংহদেহে জ্বলে উঠে শক্তির দীপ অমলীন। ঝড়ের মুখেও থাকে সে অটল দৃপ্ত দাঁড়ায়,