ঈদের আনন্দ যখন স্মৃতিমেদুরতার আবরণে আবৃত হতে শুরু করে, ঠিক তখনই “স্বরলিপি সংস্কৃতি অঙ্গন” এক ব্যতিক্রমী আয়োজনের মাধ্যমে সেই আনন্দের রেশকে যেন নতুন করে জাগিয়ে তোলে। ঈদের আট দিন পর
তিন তৌজির অন্তর্গত ডিহি শাহজাদপুরের জমিদারী একদা নাটোরের রাণী ভবাসীর জমিদারীর একটি অংশ ছিল। ১৮৪০ ইং (?) সনে শাহজাদপুরের জমিদারী নিলামে উঠলে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর মাত্র
কবিতা “আর না” —কামরুল হাসান সোহাগ না আর না, এ অন্যায় সহ্য হয়না না আর না, এ নীরবতা চলবে না, ভাঙব সব দেয়াল, গড়ে তুলব নতুন বাণী, আলো জ্বালব পথে,
হৃদয় বেদনাবিদ্ধ, চোখে অশ্রু ভরা, নোমান ভাই আর নেই, আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, চট্টগ্রামের রত্ন, মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিপরুষ, তাঁর অবদান চিরকাল অমলিন থাকবে আমাদের মনে। আজ সকালে যখন এই দুঃখজনক সংবাদটি
রাশিয়া—একটি দেশ যেখানে ঠান্ডা শুধু প্রকৃতিরই নয়, মানুষের জীবনযাত্রারও অঙ্গ। সেখানে গরম রাখার জন্য শুধু খাবারই নয়, রঙিন পানীয় পান করার রীতিও রয়েছে। আর সে পানীয়ের স্বাদ আর মজায় যেন
কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মদিন উপলক্ষে আমার কিছু কথা কিছু লেখা- উপস্থাপন করছিঃ জীবনানন্দ, তুমি এক রাত্রির নীরব সঙ্গী, শীতল বাতাসের মতো এসে ছুঁয়ে গেছো হৃদয়। বনানী, ফুল আর নদী তোমার
শ্রাবন্তী তুমি মমতার প্রতিমা,বাবার চোখে জ্বালাও জীবনের দীপা। তোমার ত্যাগে ফুটে উঠে সুরের ভাষা,জীবনের গান হয়ে যায় ভালোবাসা। “তুমি অনন্য, তুমি আলোর প্রদীপ, ত্যাগের গল্পে ভরাও হৃদয়, তৃষিত। সমাজের বুকে
“আমি গাই, আমি গান গাই, আমি গানেরই গান গাই। আমি গান শোনায়, আমি কাঁদি, আমি হেসে কুটি কুটি হই; আমি যাহা অনুভব করি, তাই গানে গানে বলি।” — কাজী নজরুল
“কালের রৌদ্র কফিন” একটি গভীর এবং প্রতীকী কবিতা যা সময়, জীবন, এবং মানব অনুভূতির অনন্ত পরিবর্তনশীল প্রকৃতির প্রতি বিশ্লেষণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করে। কবিতার ভাষা অত্যন্ত চিত্রকল্পপূর্ণ, যেখানে জীবন এবং মৃত্যুর
আপনারা যারা আমার লেখার সঙ্গে আছেন, পড়েছেন, অনুভব করেছেন—তাদের জন্য সুখবর। আমার গবেষণামূলক বই ‘সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কথা’ শিগগিরই বাজারে আসছে। এটি শুধু একটি বই নয়, বরং আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা,