রক্তে ভেজা মাটি নার্গিস আক্তার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বুকের রক্ত ঢেলে ভিজেছিল এই দেশের মাটি বীরের রক্ত জ্বেলে সালাম বরকত রফিক জব্বর আরো নামহীন কত যুদ্ধ করে প্রাণ দিল
নানার বাড়ি এম এম মিজান আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা নানা বাড়ি যাই। নানির হাতের মজার মজার পিঠাপুলি খাই। নানার দেশে শীতের দিনে পিঠা খাওয়ার ধুম। সকাল সকাল পিঠার
১. শহীদদের স্মরণ করি সালাম বরকত জব্বার আরো নাম না জানা অনেক শহীদ বীর সন্তানদের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি মুক্তি স্বাধীন এই বাংলাদেশ । এদের ঋণ শোধ হবেনা কোনদিন
১: বিজয়ের বুকে পূর্বের অন্ধকার যায় উধাও, বীরের সাহস জ্বলে দূরে আকাশে। রক্তের বিনিময়ে বাঁচে দেশ, ভয় হারায়, আসে মুক্তির রেশ। মাঠে বাজে প্রতিটি পদধ্বনি, হৃদয়ে জ্বলে আশা অনন্ত ছায়া।
গর্বিত বিজয় রক্তাক্ত এই সোনার দেশ কারসাজিতে চলছে বেশ, ক্ষিপ্ত পাক প্রতিক্ষণ। রক্তের স্রোত বইছে বন্যা মা,বোনের অশ্রুর ঝর্ণা রণ হচ্ছে বুকের ধন। ধর্ষিতার আত্ম-চিৎকার মায়ের করুণ হাহাকার, গগণে প্রকম্পিত।
লাল সবুজের মানচিত্র লালে লাল দুনিয়া শহীদদের রক্তের প্রতীক। লাল সবুজের পতাকা শহীদদের রক্তের ঋণ। সবুজ শ্যামল ঘেরা সৌন্দর্যে ভরপুর আমার সোনার বাংলাদেশ। একুশে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলন বায়ান্নের বীর সন্তানদের
১. বিজয়ের ডিসেম্বর ডিসেম্বর এল বিজয় হাতে ইতিহাস জ্বলে প্রতিটি পথে নিশান ওঠে সাহস বুকে ভয় হারায় মানুষের মুখে লাল সবুজে রাঙা দেশ শহীদ রক্তে লেখা বেশ স্বাধীন আকাশ ডাকে
চিরকুট বিংশ শতাব্দীর পুরোনো সেই ডায়েরি— ডায়েরির ভাঁজে শুকনো গোলাপের সুগন্ধি পাপড়ি, আর কালির আঁচড়ে এলোমেলো এক চিরকুট। চিরকুটে লিপিবদ্ধ— না-পাওয়ার আক্ষেপ আর গোলাপের রক্তরসে মোড়ানো প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকার। “ভুলেই গিয়েছি
বিজয় মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগে সংগ্রামে একাত্তরের ডিসেম্বরে বিজয় এসেছে, আনন্দ খুশী উৎসব চারিদিকে কবি সাহিত্যিক বিজয়ের কথা লিখে। উনিশে মার্চ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঐতিহাসিক গাজীপুরে তার ঠিকানা, উনিশে মার্চের পর,
মানবাধিকারের শপথ মানুষ সবার আগে মানুষ, এই সত্য থাক চিরে। ধনী–গরিব ভেদ ভুলি, চল এক মানব নীড়ে। জন্মের সাথে অধিকার, কেউ নেয় না কারো হক। অন্যায় দেখি নীরব নয়,