১৭ এপ্রিল ১৯৭১: বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে জন্ম নেয় যে সরকার, তা এক পরাধীন জাতির মুক্তির ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল একটি চিরস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলার
আমি নাছিম—ফটিকছড়ির আজাদী বাজারের সেই মানুষ, যে জীবনের বহু সময় অসহায়-গরীব মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাটিয়েছে। পথহারা মানুষদের পথ দেখিয়েছি, না খেয়ে খাইয়েছি, নিজের সুখ বিলিয়ে দিয়ে অন্যকে সুখী করেছি। যাদের
“নিশ্ছিদ্র ভালোবাসার আজ আমার জন্মদিন”” আজ বৈশাখের দুই তারিখ। পঞ্জিকার হিসেব বলবে এটি ১৫ই এপ্রিল, কিন্তু আমার কাছে এই দিনটির তাৎপর্য বহুগুণে বড়। কারণ আজই আমার সত্যিকারের জন্মদিন। যদিও কাগজ-কলমের
মনের আয়নায় সেই যে মানুষটির কথা লিখতে বসলাম -সেই মানুষটিকে আমার ছেলের শাশুড় হিসেবে জীবনের ঘূর্ণিপাকে হঠাৎ করে একদিন আমার সামনে উদ্ভাসিত হলেন তিনি—কামাল চোবান। নামটি উচ্চারণ করলেই হৃদয়ের গভীরে
পহেলা বৈশাখের সূর্যালোকে, বাটালি হীলে সবুজ বেষ্টনীর মাঝখানে বৈশাখের গান আর আড্ডার মজায় যখন আমরা ডুবে আছি, তখনই দেখা হয়ে গেল এক প্রাণোচ্ছল মানুষ—জাহিদ আলী। শতায়ু অঙ্গনের এই প্রাণপুরুষকে আমি
চট্টগ্রামের ডিসি হিলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণ উপলক্ষে প্রস্তুতকৃত মঞ্চে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে একদল যুবক। রোববার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় চট্টগ্রামের সংস্কৃতি অঙ্গন, সুশীল সমাজ এবং
এক ঝলক আলো এসে যেন ঘরে ঢুকে পড়ে – মুখভরা হাসি, চোখে টলমল তারার মতো ঝিকিমিকি চাহনি, আর কপালের কোণে কোঁকড়ানো চুলগুলো এমনভাবে নেচে ওঠে, যেন কোনো পুরোনো কবিতা নতুন
আসছে বাংলা এক্সপ্রেস—নতুন স্বপ্ন, নতুন দিগন্ত, নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে। চোখ ধাঁধানো সব খবর, সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে চলা বিশ্লেষণ, সংবাদ তৈরির অন্দরমহলের অজানা গল্প—সব মিলিয়ে এটি হতে চলেছে পাঠকের
বাংলাদেশের গণমাধ্যম ইতিহাসে চট্টগ্রাম এক অনন্য নাম। এখানকার সাংবাদিক সমাজ শুরু থেকেই সাহসী, আদর্শবাদী ও কলমযোদ্ধার ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক সংগ্রাম, সামাজিক আন্দোলন কিংবা প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ—সবখানেই চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা
কাজী নজরুল ইসলাম প্রথমবারের মতো “বাংলাদেশ” শব্দটি ব্যবহার করেন ১৯২৬ সালে রচিত তাঁর বিখ্যাত কবিতা “খেয়াপারের তরণী”-তে। এই কবিতায় নজরুল ব্রিটিশ শাসনাধীন বাংলা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছেন। কবিতাটি