ফজলে করিম, বাংলাদেশের অপরাধের অন্ধকার দুনিয়ার এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তার নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা অপরাধ, দুর্নীতি ও সমাজে অস্থিরতার গল্প। একজন অপরাধী হিসেবে তার খ্যাতি শুধুমাত্র অপরাধের সীমা ছাড়িয়ে
চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের এক বিশেষ সভায় বক্তারা কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ তরান্বিত করার জোরালো আহ্বান জানান। চট্টগ্রামবাসীর পক্ষে নাগরিক ফোরামের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে
পুলিশ কি জনতার নাকি ক্ষমতার? এই প্রশ্ন আজ বাংলাদেশের মানুষের মনকে ঘিরে রেখেছে, বিশেষ করে এসআই মিনহাজদের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ সদস্যদের কর্মকাণ্ড দেখে। এসআই মিনহাজ, একজন ক্ষমতার দাপটে অন্ধ পুলিশ
পাথর সরবরাহ থেকে নগদ টাকার লুট, শেখ হাসিনার পতনের পর রেজাউল করিম আত্মগোপনের অভিযোগ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ও তার দীর্ঘদিনের সহযোগী বালু কামালের বিরুদ্ধে টেন্ডার ছাড়া
দীর্ঘ কারা নির্যাতনের অন্ধকার পেরিয়ে, আজ বিএনপির দুই ত্যাগী মুখ আসলাম চৌধুরী ও কায়েস একত্রিত হয়েছেন। এদের নাম আজ শুধু বিএনপির নয়, বাংলার সংগ্রামী ইতিহাসের পৃষ্ঠায় অমর হয়ে থাকবে। তাঁদের
ছবিটিতে বাঁধা রয়েছে এক মর্মান্তিক নাটক—মুখের হাসি আর বাহুবন্ধনে রচিত মেকি ভালোবাসার গল্প। ছবির দুই মুখ—দুজন মানুষ—যাদের মধ্যে বাহ্যিক সৌহার্দ্য আর সম্পর্কের উষ্ণতা যেন অপার। কিন্তু এ ছবি শুধু আলোকচিত্র
হিংসা প্রতিটি মানুষের জীবনের এক অভিশাপ, যা আমাদের সমাজ ও রাজনীতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক আচরণ দেশের অগ্রগতি ও সংহতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ আমাদের সামনে সেই বাস্তবতা
চোখে সোনালি স্বপ্ন, বুকে দেশপ্রেমের অমর শপথ, আর মনে অটল সাহস নিয়ে আমাদের গর্বের সূর্যসন্তান, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, কলঙ্কিত রাজনীতির অন্ধকার পথ থেকে জাতিকে মুক্ত করতে আলোর মশাল হাতে এগিয়ে এসেছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, আমি চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ সাহেবের সঙ্গে একাধিক প্রশ্ন নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলাম। তিনি ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম রেঞ্জে ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি ১৫তম বিসিএস-এর কর্মকর্তা
চট্টগ্রাম ৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলুল করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার হওয়ার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে গড়ে ওঠা তার নানা অপকর্মের সিন্ডিকেটের মধ্যে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া ফজলে করিম চৌধুরীর