শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালীগঞ্জের নলতায় পল্লী চিকিৎসক প্রশিক্ষণ সেমিনার অনুষ্ঠিত একুশের প্রথম কবিতার জনক মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ১০০ তম জন্মদিন আজ গাইবান্ধায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধায় বৃক্ষরোপণ পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভা সদরগড় গ্রামকে নদীভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করার দাবীতে মানববন্ধন দিনাজপুরে খেজুর রস সংগ্রহ শুরু  ভালুকায়  জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাউফলে ৬০টি গভীর নলকূপ হস্তান্তর করলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি যুদ্ধ যখন অনিবার্য, মেজর মেজর জিয়া তখন যুদ্ধের ডাক দিলেন …… জহির উদ্দিন স্বপন

যুদ্ধ যখন অনিবার্য, মেজর মেজর জিয়া তখন যুদ্ধের ডাক দিলেন …… জহির উদ্দিন স্বপন

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬



যুদ্ধ যখন অনিবার্য, মেজর মেজর জিয়া তখন যুদ্ধের ডাক দিলেন …… জহির উদ্দিন স্বপন

 গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদায়) সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন (এমপি) বলেছেন, যুদ্ধ যখন অনিবার্য মেজর মেজর জিয়া তখন যুদ্ধের ডাক দিলেন। ৩রা নভেম্বর খালেদ মোশারফ এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশ আরো একটি অদ্ভুত্থান হয়েছিল। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে খালেদ মোশাররফকে হত্যা করেছিল আরেকটি বাহিনী।

এভাবেই কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে জাসদের সমর্থকরা আরো একটি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিল। অদ্ভুত্থান পাল্টা অদ্ভুত্থান জাতি যখন হতাশ হয়েছে। তখন, ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাত ২টার সময় যেমন করে মেজর জিয়া বলেছিলেন আমি মেজর জিয়া বলছি, শেখ মুজিব বিহীন বাংলাদেশে যেমন করে মেজর জিয়া মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন, তখন মুজিব বিহীন বাংলাদেশে সেই দিন দিকনির্দেশনা হীন জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন যে মেজর জিয়া, সেই সেই ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের মেজর জিয়াই আবার ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর এই নৈরাজ্যের বাংলাদেশ সিপাহী জনতার অদ্ভুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তি পেয়ে এসে জাতিকে বললেন আমারা বাংলাদেশে নতুনভাবে রাজনীতি করতে চাই।

তার ডাকে শান্ত হলো বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটে তৎকালীন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের উপর জনগণের তেমন আস্থা ছিল না। শেখ মুজিবের ব্যর্থতা অন্যান্য দলের প্রতি আস্থার অভাব। এমন পরিস্থিতিতে ১৯৭১ সালের মেজর জিয়া এবং ৭৫ সালের জেনারেল জিয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল, সকল নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে সমস্ত জাতিকে তিনি ঐক্যবদ্ধ করলেন এবং তিনি প্রথমেই যে কাজটি করলেন, সেটি হচ্ছে তিনি সমগ্র জাতিকে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় পরিচয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। কি সেই পরিচয়, সেই পরিচয় হচ্ছে আমরা বাংলাদেশী।

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল।

গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল, বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সাইয়েদুল আলম খান সেন্টু, গৌরনদী পৌর বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ জাকির হোসেন শরীফ, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামরুজ্জামান খোকন।

বক্তব্য রাখেন, গৌরনদী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক তাসলিমা বেগম, গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ মনির হোসেন আকন (মনির মাস্টার), গৌরনদী পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গৌরনদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন বিপ্লব, গৌরনদী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ সরোয়ার হোসেন পান্নু, গৌরনদী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ রুবেল গোমস্তা, সরকারি গৌরনদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তানভীর হাসান তানিম প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews