
সোনাইমুড়ীতে যুবদল নেতার গাড়িতে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ !
আবুল কালাম আজাদ,চাটখিল-সোনামুড়ী,নোয়াখালী :
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমকি বাজার এলাকায় নোয়াখালী জেলা যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান জুয়েলের গাড়ির সঙ্গে ‘জননী পরিবহন’-এর একটি বাসের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে চাটখিল উপজেলার হালিমা দীঘির পাড়ে জননী পরিবহনের ৩২টি গাড়ি আটকে রাখা এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ৪ ঘণ্টা গাড়িগুলো আটকে রাখায় সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পরিবহন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেল ৫টার দিকে সোনাইমুড়ী থানার আমকি বাজারের নিকটবর্তী স্থানে জেলা যুবদলের সহ-কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান জুয়েলের গাড়ির সঙ্গে জননী পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কা লাগে । এ নিয়ে বাসের ড্রাইভার ও হেলপার ও স্থানীয় লাইনম্যানের সঙ্গে ওই যুবদল নেতার কথাকাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে জুয়েল তার অনুসারীদের দিয়ে বিকেল ৫টা থেকে চাটখিলের হালিমা দিঘীরপাড় এলাকায় জননী পরিবহনের অন্যান্য গাড়িগুলো আটকে দেওয়া শুরু করে। জননী পরিবহনের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মাসুদ আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ৩২টি গাড়ি আটকে রাখা হয়েছিল। শুধু গাড়ি আটকে রাখাই নয়, এ সময় পরিবহনের মালিক এবং একজন ড্রাইভারসহ মোট তিনজন স্টাফকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। এই বিষয়ে যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান জুয়েলের সাথে কথা বললে তিনি জানান, জননী পরিবহন তার গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করায় তাদের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়েছে,তাদেরকে মারধর করা হয়নি। এবং বিষয়টি রাতেই সমাধান হয়ে গেছে। চাটখিল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহজাহান বলেন, রাত পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ যাওয়ার পর উভয়পক্ষ বসে বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মিটমাট (মীমাংসা) করে ফেলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।