মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রেণিকক্ষে বারবার ছাদ ধস: আতঙ্কে দিন কাটছে নগরঘাটা রহমতিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ! গাইবান্ধায় “কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা” কার্যক্রমের মতবিনিময় ও সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত ! সরকারি স্কুলে ‘অতিরিক্ত ফি আদায়! খণ্ডকালীন শিক্ষকের বেতনের দোহাই, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা !            সোনারগাঁয়ে যুবলীগ নেতার সন্ত্রাসী হামলা: শিশুসহ ৩ জন গুরুতর আহত, এলাকায় চরম ক্ষোভ ! খুনি ও সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের সাথে কোনো আপস নেই: দিনাজপুরে ছাত্র-জনতার হুঁশিয়ারি ! কালীগঞ্জে ছেলের পরীক্ষায় নাম্বার কম দেওয়ায় শিক্ষিকাকে নির্যাতন ! সিঙ্গাপুর পাঠানোর নামে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ, টাকা ফেরত চাওয়ায় ভুক্তভোগীকে মারধরের অভিযোগ ! শহর পরিচ্ছন্ন রাখেন যারা, তাদের বসতিতেই আবর্জনার স্তুপ: শেরপুরের হরিজন পল্লীতে চরম দুর্ভোগ ! মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল ! গোবিন্দগঞ্জে তুলশী চাষ করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে নারী উদদোক্তা মমতাজ আক্তার

শ্রেণিকক্ষে বারবার ছাদ ধস: আতঙ্কে দিন কাটছে নগরঘাটা রহমতিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের !

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

শ্রেণিকক্ষে বারবার ছাদ ধস: আতঙ্কে দিন কাটছে নগরঘাটা রহমতিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের !

আব্দুর রহমান,সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৭নং নগরঘাটা ইউনিয়নের রহমতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার (২২ জুন) সকাল আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় মাঠে দৈনিক সমাবেশে (অ্যাসেম্বলি) থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। অল্পের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। অতীতেও ঘটেছে দুর্ঘটনা স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয় ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর আগেও এই একই শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে শিবানী ব্যানার্জী নামে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা গুরুতর আহত হয়েছিলেন। ওই ঘটনার পর ভবনটি সংস্কার বা ঝুঁকিমুক্ত করার জোর দাবি উঠলেও দৃশ্যমান বা স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা। আতঙ্ক ও ক্ষোভ বারবার এই ধসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী এখন ওই ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে বসে ক্লাস করতে অনীহা প্রকাশ করছে। উদ্বিগ্ন এক অভিভাবক বলেন, “একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন মৃত্যুফাঁদ রেখে কীভাবে পাঠদান চলতে পারে? আমাদের সন্তানরা এখানে পড়তে আসে, মরতে নয়। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা বা ভবন সংস্কার না করলে আমরা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দেব।” কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “আমরা বাধ্য হয়ে চরম ঝুঁকির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকরা সবাই দুশ্চিন্তায় আছেন। আমরা ইতিমধ্যেই উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানিয়েছি এবং জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছি।” এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লিখিত আবেদনও তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “বিষয়টিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দ্রুত ভবনটির বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।” স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অতি দ্রুত যেন বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা অথবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews