রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হামলার শিকার সাংবাদিক রাজু হামিদ: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ঢাকা প্রেসক্লাবের প্রকৃত ধর্ম বিশ্বাসীরা অন্য যেকোনো ধর্ম বিশ্বাসীকে সম্মান করেন: তথ্যমন্ত্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে ‘উৎসর্গ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সাংবাদিক আতাহার ইকবাল স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শিবপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ: পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড, অসাবধানতা না কি চক্রান্ত? সোনারগাঁওয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেল গ্রেফতার, র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্র-গুলি ও ১৪ টেঁটা উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে বিসিক শিল্প নগরীতে আবু তাহের ছানা কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে ৩৮ কার্টুন নকল ঘি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাউফলে ছাত্রদলের দুই নেতার বিরোধ প্রকাশ্যে, হাতাহাতির ঘটনা

রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস১ ঘণ্টার ট্রেন ৩ ঘণ্টায়!

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

রেলের ঘড়িতে চলে না ‘তিতাস১ ঘণ্টার ট্রেন ৩ ঘণ্টায়!

 

​রেলওয়ের চরম অব্যবস্থাপনা আর নিয়মিত শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে নরসিংদী রেলস্টেশনে সাধারণ রেলযাত্রীদের ক্ষোভ এখন চরমে। বিশেষ করে ‘তিতাস কমিউটার’ ট্রেনটির ভয়াবহ সময় বিপর্যয় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন প্রতিদিন যাতায়াত করা শত শত সাধারণ যাত্রী।ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, তিতাস কমিউটার ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কোনো তোয়াক্কাই করছে না। রেলওয়ের সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটির দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে নরসিংদী রেলস্টেশনে উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই ট্রেনটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে স্টেশনে আসে। গতকালের চিত্র উল্লেখ করে ক্ষুব্ধ এক যাত্রী জানান, নির্ধারিত সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিট হলেও ট্রেনটি নরসিংদী এসে পৌঁছায় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। অর্থাৎ ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট বিলম্বে ট্রেনটি স্টেশনে আসে। এখানেই শেষ নয়, নরসিংদী থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছাতে ট্রেনটি সময় নেয় বিকেল ৫টা। মাত্র কয়েক কিলোমিটারের এই পথটুকু পাড়ি দিতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।আসন কেটেও দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের:নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা জানান, ট্রেন দীর্ঘ সময় বিলম্বে আসায় স্টেশনে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ যাত্রী জমা হয়। ফলে ট্রেন আসার সাথে সাথেই বগিতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, অনেক যাত্রী আগে থেকে বৈধ টিকিট কেটে আসন (সিট) বরাদ্দ পাওয়ার পরও ভিড়ের কারণে নিজেদের নির্ধারিত আসনের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই ভোগান্তি আরও প্রকট রূপ নেয়। যাত্রীদের দাবি:স্টেশনে অপেক্ষমাণ ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রেলের টাইম মেন্টেনেন্স নেই। তিতাস কমিউটার বেশিরভাগ সময়ই শিডিউল মেলাতে পারে না। যদি ট্রেনটি ঠিক সময়ে আসতো, তাহলে স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী জমা হতো না এবং আমাদের এই চরম দুর্ভোগে পড়তে হতো না।”সাধারণ যাত্রীদের একটাই দাবি, রেল কর্তৃপক্ষ যেন অবিলম্বে তিতাস কমিউটারের এই দীর্ঘদিনের শিডিউল বিপর্যয় দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews