1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন  সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আড়াইহাজারে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বিএনপি নেতা । তিন দশক ধরে বঞ্চিত ইরাক-কুয়েত প্রত্যাগতরা: ১০ দফা দাবিতে সোচ্চার বাংলাদেশ কল্যাণ সমিতি জয়পুরহাটে ইজি ফ্যাশানের শোরুম উদ্বোধন । শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন  সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে! লক্ষ্মীপুরে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। সিলেট জুড়ে হাওরপাড়ের কৃষকের মাঝে এখন হাহাকার ও দীর্ঘশাস ! মডেল মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের জন্য নয়, বরং ইসলামিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সামাজিক মূল্যবোধ বিকাশের কেন্দ্র- এটিএম কামরুল ইসলাম অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ২ বছর সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী মেঘনায় পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ভারতীয় চোরাই মালসহ দুই গাড়ি আটক ! প্রধান শিক্ষিকার উদাসীনতায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি সিয়াম।

শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন  সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে!

শেরপুরের প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন  সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে!

 

শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন এর ধাতুয়া আরালা কান্দা গ্রামে একটি সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সেতুটি সংস্কার না করায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সেতুর মাধ্যমেই ধাতুয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করেন কুরুয়া, সংকর ঘোষ, রহমতপুর, নয়াপাড়া ও আশপাশের বহু গ্রামের মানুষ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সেতুর একাংশ ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

 

এলাকাবাসী জানান, প্রতি বছরই অস্থায়ীভাবে কাঠের সেতু তৈরি করে কোনোভাবে চলাচল চালিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে কাঠের সেতুই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর ধরে তারা একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ বলেন,  আমাদের অধিকাংশ জমিজমা নদীর ওপারে। সেতু ভাঙা থাকার কারণে কৃষিকাজ করতে গিয়ে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। ধান-পাটসহ কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরেক বাসিন্দা শামিম বলেন, কোনো রোগী অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মানুষ পারাপার হয়। একটি ভালো সেতু না থাকায়

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট