1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৪৩৮২ জন কর্মীর চাকরি বহাল ও ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র হস্তান্তরের দাবি। - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আড়াইহাজারে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বিএনপি নেতা । তিন দশক ধরে বঞ্চিত ইরাক-কুয়েত প্রত্যাগতরা: ১০ দফা দাবিতে সোচ্চার বাংলাদেশ কল্যাণ সমিতি জয়পুরহাটে ইজি ফ্যাশানের শোরুম উদ্বোধন । শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন  সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে! লক্ষ্মীপুরে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। সিলেট জুড়ে হাওরপাড়ের কৃষকের মাঝে এখন হাহাকার ও দীর্ঘশাস ! মডেল মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের জন্য নয়, বরং ইসলামিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সামাজিক মূল্যবোধ বিকাশের কেন্দ্র- এটিএম কামরুল ইসলাম অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ২ বছর সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী মেঘনায় পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ভারতীয় চোরাই মালসহ দুই গাড়ি আটক ! প্রধান শিক্ষিকার উদাসীনতায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি সিয়াম।

নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৪৩৮২ জন কর্মীর চাকরি বহাল ও ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র হস্তান্তরের দাবি।

নিজস্ব প্রতিনিধি :ঢাকা
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৪৩৮২ জন কর্মীর চাকরি বহাল ও ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র হস্তান্তরের দাবি।

দেশের নগর এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র ও সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প-২য় পর্যায়’-এর অধীনে নির্মিত ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থানীয় সরকার বিভাগে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এই প্রকল্পে কর্মরত ৪,৩৮২ জন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি বহাল রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা) আইন ২০০৯ অনুযায়ী নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। সেই লক্ষ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে মোট ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি নগর মাতৃসদন (CRHCC) এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র (PHCC)। বর্তমানে ৪৫টি পার্টনারশিপ এলাকায় এনজিও এবং সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে এসব কেন্দ্রে সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রকল্পের তথ্যানুযায়ী, ১ মার্চ ২০১৮ থেকে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত এই প্রকল্পের মাধ্যমে উল্লেখ্যযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
​প্রায় ৩৪ লক্ষ ৬০ হাজার প্রসব পূর্ববর্তী এবং ১০ লক্ষ প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান।
​স্বাভাবিক ও সিজারিয়ান ডেলিভারির মাধ্যমে ১ লক্ষ ৯০ হাজার শিশুর জন্মদান।
​প্রায় ২৯ লক্ষ ১৪ হাজার মানুষকে আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান।
​এছাড়াও এসব কেন্দ্রে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি সেবা এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণসহ মোট ১৬ ধরনের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, দরিদ্রদের জন্য এই সেবাগুলোর অন্তত ৩০ শতাংশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিশ্চিত করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই বিশাল সংখ্যক অভিজ্ঞ জনবল এবং অবকাঠামো যদি যথাযথভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ন্যস্ত না করা হয়, তবে নগর জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ৪,৩৮২ জন দক্ষ কর্মীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেবার মান ধরে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
​নগরবাসীর প্রত্যাশা, পিএমইউ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং অভিজ্ঞ জনবলের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট