বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
স্হানীয় সরকার নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত মিলে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে -জহির উদ্দিন স্বপন সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন সবার সদিচ্ছা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা পুলিশের ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি মাদক ও নারীসহ আটক ৮৪ গাইবান্ধায় ২ শিক্ষকে চলছে ৬ শ্রেণি, সংকটে খলিশার পটল প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘোড়াঘাটে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন সমাজ কল্যান মন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন  পরিবার কল্যাণ এর পরিদর্শকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও নানা দূর্নীতির অভিযোগ পাবনায় নেশার টাকা না পেয়ে মাকে জবাই করে হত্যা ॥ ছেলেকে আটক পাবনার তিন আওয়ামী লীগ নেতাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে মানববন্ধন

ভয়াল ১২ নভেম্বর: পটুয়াখালীতে প্রাণ হারায় ৪৮ হাজার মানুষ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫




আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর—বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন। ১৯৭০ সালের এই দিনে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, যা ইতিহাসে স্থান পেয়েছে ‘ভয়াল গোর্কি’ নামে। মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় দক্ষিণাঞ্চলের জনপদ। উপকূলের ঘরবাড়ি, গাছপালা, মাঠের ফসল—সবকিছুই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, সেই রাতে বৃহত্তর পটুয়াখালী জেলায় (বর্তমান বরগুনাসহ) প্রাণ হারান প্রায় ৪৮ হাজার মানুষ। তবে স্থানীয়দের মতে, প্রকৃত সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। অসংখ্য মানুষ সেই রাতে প্রিয়জন, ঘরবাড়ি, ও জীবিকার সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন।

বিশেষ করে বর্তমান রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ, সোনারচর, মৌডুবি ও বড় বাইশদিয়া দ্বীপগুলো পরিণত হয়েছিল জনশূন্য বিরাণভূমিতে। নদী-নালা, খাল-বিল—সব জায়গায় ছিল লাশের মিছিল, নিস্তব্ধতায় ভরে উঠেছিল পুরো উপকূল।

সেই ভয়াল রাতের স্মৃতি আজও ভোলেননি প্রবীণরা। এখনো অনেকের চোখে ভাসে সেই অমানবিক দৃশ্য—প্রলয়ের ঢেউয়ে হারিয়ে যাওয়া আপনজনদের মুখ।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলবাসী ও স্থানীয় সংগঠনগুলো ১২ নভেম্বরকে “উপকূল দিবস” হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানে এই দিনের ইতিহাস ও প্রলয়ের শিক্ষা মনে রাখে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews