সাংবাদিকদের দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—নামি-দামি সাংবাদিক এবং নামধারী সাংবাদিক। নামি-দামি সাংবাদিকরা সাংবাদিকতা করেন বিবেকের তাড়নায়, আর নামধারী সাংবাদিকরা করেন পেটের তাগিদে। সমস্যা হলো, সাধারণত মানুষ নামি-দামি সাংবাদিকদের চিনতে পারে
সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি সত্য ও ন্যায়ের সন্ধানে এক অসীম যাত্রা। মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকতার ভূমিকা অপরিসীম। তথ্যের আলোকে সমাজকে আলোকিত করা, অন্যায়ের মুখোশ উন্মোচন করা, এবং সাধারণ
আমার লেখালেখি ও সাহিত্য গবেষণা— এসব কিছুই আল্লাহর প্রদত্ত এক বিশেষ দান। তবুও এর জন্য আমাকে পার করতে হয়েছে পাঠশালার কঠোর শিক্ষা। দারিদ্র্য বিমোচন এবং বেকারত্ব দূরীকরণের প্রতি আমার যে
অবশেষে ফজলে করিম চৌধুরী গ্রেফতার—এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো। বহু তাজা প্রাণের ঘাতক, রাউজানে ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম হত্যার অন্যতম আসামি ফজলে করিম চৌধুরী অবশেষে আইনের জালে ধরা পড়েছে। যারা
চট্টগ্রামে ভেট নারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়া এবং আব্দুল্লাহ আল নোমানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অথচ আজও তাদের নামে বা তাদের স্মৃতি স্মরণে কোনো স্থাপনা নির্মিত হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।
আমি যখন এই লেখাটি লিখতে বসেছি, তখন আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে সেই মহাসমুদ্র জাহাজ টাইটানিকের ছবি—যে জাহাজটি সমুদ্রের গভীরে নিমজ্জিত হয়ে গিয়েছিল। আজ আমাদের চট্টগ্রামের গর্ব, আমাদের বানিজ্যের জাহাজ,
রাউজানে বিএনপি নেতা মুছা হত্যার মামলাটি গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের পর দেশে ফিরে মা-বাবার কবর জিয়ারত করতে
এই লেখাটি লিখতে বসে নিজের কাছে লজ্জিতবোধ করছি। যখন পুলিশ সদরদপ্তর থেকে ঘোষণা এলো যে হাসিব আজিজ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আহসান হাবিব পলাশ সাহেবকে ডিআইজি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে,
রাউজানে আলোচিত-সমালোচিত কুখ্যাত খলনায়ক ফজলুল করিমের নির্দেশে ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরুকে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ চট্টগ্রাম শহরের গনি বেকারি এলাকার বাসা থেকে পুলিশ এসআই শেখ জাবেদ ও সন্ত্রাসীরা তুলে
“পাঠক বন্ধুদের প্রতি ক্ষমাপ্রার্থনা” সম্মানিত পাঠক বন্ধুরা, এই লেখায় যদি কোনো ভুল মন্তব্য বা কথা থেকে থাকে, তবে আপনাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। এমন একটি সময়ে এই কঠিন লেখাটি লিখতে