সংগুপ্তছায়ার হরিণী মোহাম্মদ আলীম -আল-রাজী সংগুপ্তছায়ার হরিণী নাচে, চোখে তার মায়া, গভীর আভাসে। পাতার ফাঁকে ফাঁকে আলো ঝরিছে, নিস্তব্ধ বাতাসে গন্ধ মিশিছে। তৃষ্ণার ফুল ফোটে তার পদতলে, বনের কাননে সুর
শকুন মো. আব্দুল আলিম মানুষ মানুষের রক্ত খায় মানুষের বিরুদ্ধে মানুষ রক্ত ঝরে প্রতিনিয়ত, গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে নগর যেন এক অমানবিক, নিষ্ঠুর যুদ্ধ! মনুষ্যত্ব আজ কোথায় হারালো বিবেকের
মোহাম্মদ আলীম-আল-রাজী’র দুটি কবিতা 1 সাহসের সিদ্ধান্ত একাধিক বিয়ে লজ্জা নয়, সাহস বুকে রাখি, নিজের জীবন নিজের মতো গড়ি নতুন আঁকি। সমাজ যত বাঁধা দেয়, ভয় দেখায় নিয়ম, সেই ভয়
“ফর্মুলা” রাহেলা আক্তার সারথিকা গেলো কেঁদে হৈমন্তিকা খাবে রেঁধে। শৈত্যাধিক্য আসবে সেজে নির্বাচনের ঘন্টা বেজে। বাসন্তিকা সাজবে বধু আমজনতা খাবে মধু। ফর্মুলা সব শূন্য হবে দাবাগ্নি টা তেমন রবে। গ্রীষ্মনিবাস
কবি মো. আব্দুল আলিম এর গুচ্ছ ছড়া স্কুল রোজ স্কুলে যাও সোনামণি পড়ালেখা করো পড়ালেখা করে তুমি তোমার জীবন গড়ো। পথ কোনটা ভালো কোনটা মন্দ যখন তুমি বুঝবে, ভালো পথে
আল্লাহ আমার এম এম মিজান আল্লাহ আমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ আমার রব। তিনি ছাড়া এই দুনিয়ায়। নেই কেউ পরাভব। আল্লাহ আমার রিজিক দাতা, আল্লাহ আমার প্রভু। খোদার হুকুম
কবির লেখা কবিতা মোঃ দিদারুল ইসলাম ভালোবাসা কিংবা প্রেম বিরহের কবিতার কথামালায় উদ্বেলিত হয়ে কেউ কেউ চমকে যায়, আর কবির জন্য মনে মনে আফসোসের সুর আওড়ায়, হায়রে, প্রেমের ছ্যাকায়
আপনজন লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল চেনা মানুষের অচেনা আচরণ ভীষণ যাতনা যন্ত্রণার কারণ, ভালবাসার কথা বলে হয় ছলনা অশ্রুতে অনল নেভানো যায় না। অপরের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর আপন যখন
নিরাপদ পথের আহ্বান চলো সবাই পথে নামি, নিয়ম মানি, জীবন দামি। সচেতনতা হোক সাথি, ফিরে আসুক ঘরে রাতি। হেলমেট পরে চালাও ভাই, সিগন্যাল মানো, রক্ষা পাই। একটু ধৈর্য সবার
হেমন্ত লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল হেমন্তে শিশির ভেজা সকাল সূর্যের আলো ঝিলমিল করে, শেষ রাতে কুয়াশা পড়ে শীতের আমেজ ভোরের বাতাসে। শরতের শেষে হেমন্ত আসে কাঁচা-পাকা ধান আনন্দে হাসে,