ডিসেম্বর বিজয়-কেন্দ্রিক এক গুচ্ছ কবিতা ১. বিজয়ের চাঁদ চাঁদ ওঠে হাসি নিয়ে, আলো ছড়ায় নদী-দিয়ে, বীরের রক্তে লেখা গল্প মুক্তি দেয় প্রতিটি ঘরে। ডিসেম্বর মানেই বিজয়, হৃদয়
কিংকর্তব্যবিমূঢ় সারা জাহানের মজলুমের বহমান সমগ্র অশ্রুজল, যদি একত্রে জমানো থাকতো, তবে হয়তো নূতন সদা উত্তাল, অসহায় এক মহাসাগরের জন্ম উৎস জানতো জালিমেরা। আর গর্বে হতো কিংকর্তব্যবিমূঢ় ! সারা
অজানা ঠিকানা বহতা নদীর মতো জীবন করো জন্য থেমে থাকে না– সমুদ্রের গর্জনে উপচে পড়া জলরাশি দুমড়ে- মুচড়ে ধুসর নীলাভ করে দেয় এই হৃদয়টা। অস্তিত্ব জুড়ে ভেসে উঠে বিষাদের ছায়া,
প্রিয়তমা দর্শণ শোভন সুমধুর ভাষণ দৃষ্টি নন্দন তোমার আকর্ষণ, সুকেশী মিতভাষী হাসিখুশি প্রিয়ভাষী দিবানিশি রাশি রাশি। আকাশের উদারতা, সাগরের গভীরতা ফাল্গুণের বনলতা, বাতাসের নীরবতা চলমান তোমার প্রেম প্রীতি ভালবাসা, তনু
১. কাব্যিক নাম: শব্দের আলো শব্দ জ্বেলে রাখে কবি, পথ হারানো বুকে ভাঙা মনকে জোড়া দেয়, নিঃশব্দ থরে থুকে রোদ ঝরিয়ে আঁকে ছবি, চন্দ্রালোকের টানে কবিতা তার সাথী হয়, নির্জনেরই
পরযায়ী পাখি ভিনদেশীয় পাখিগুলো আমার দেশের অতিথ উড়াল দিয়ে আসে ছুটে আমার দেশের পথিক। শুট করো না ওদের যেন যতন করে রাখো বিপদ এলে ভালোবেসে আল্লাহকে ডাকো শীত কুয়াশায়
জন্মদিনে একাকী আজ আমার জন্মদিন, অথচ ঘরটা অদ্ভুত নিস্তব্ধ। দরজার ফাঁক দিয়ে আসা আলোও আজ যেন ক্লান্ত। টেবিলে রাখা কেকের পাশে ধুলো জমে আছে, অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকেও মোম জ্বালালাম না।
হেমন্তের পরশ অপরূপা হেমন্তের কুয়াশা ঝরা ভোর মৌ মৌ করে গন্ধে, খুলে যবে দোর। গাছে ঝুলে আছে খেজুর রসের হাঁড়ি ভোরে উঠে রসের হাঁড়ি নিয়ে আসে বাড়ি। খেজুর রসের পায়েস,
শীত এলে শীত এলে শীত পেলে – ভরে আমার মনটা। খুবই ভালো লাগে যে – শীতকালীন ক্ষণটা। শীত এলে খেতে মজা — নানা জাতের মাছ। পেতে ভালো লাগে যে –
মা মা আমার পৃথিবী, মা আমার সুখ। মায়ের কথা শুনলে, ঠান্ডা হয় বুক। মা আমার বেহেশত, মা আমার পুণ্য। মায়ের উদরে জন্মে, জীবন আমার ধন্য। মা আমার আকাশ, চাঁদের আলোয়