-এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক। এসো এসো… এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ— এ যেন শুধু একটি দিন নয়, বরং বাঙালির সংস্কৃতি, আত্মপরিচয় আর ঐতিহ্যের এক মহা সম্মিলন। সময়ের প্রবাহে, সমাজের রুচিবোধে, সংস্কৃতির অভিঘাতে আজ এই দিনটি যেন হয়ে
আসছে বাংলা এক্সপ্রেস—নতুন স্বপ্ন, নতুন দিগন্ত, নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে। চোখ ধাঁধানো সব খবর, সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে চলা বিশ্লেষণ, সংবাদ তৈরির অন্দরমহলের অজানা গল্প—সব মিলিয়ে এটি হতে চলেছে পাঠকের
ঈদের আনন্দ যখন স্মৃতিমেদুরতার আবরণে আবৃত হতে শুরু করে, ঠিক তখনই “স্বরলিপি সংস্কৃতি অঙ্গন” এক ব্যতিক্রমী আয়োজনের মাধ্যমে সেই আনন্দের রেশকে যেন নতুন করে জাগিয়ে তোলে। ঈদের আট দিন পর
কাজী নজরুল ইসলাম প্রথমবারের মতো “বাংলাদেশ” শব্দটি ব্যবহার করেন ১৯২৬ সালে রচিত তাঁর বিখ্যাত কবিতা “খেয়াপারের তরণী”-তে। এই কবিতায় নজরুল ব্রিটিশ শাসনাধীন বাংলা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছেন। কবিতাটি
চিটাগং ক্লাবের ছায়াময় প্রাঙ্গণ, তার এক কোণে বসে থাকা দুটি দীপ্তিময় মুখ। একদিকে উপমহাদেশের কিংবদন্তি নজরুল সংগীত শিল্পী, জাতীয় কবি নজরুল মঞ্চের সভাপতি, আমাদের প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় ফরিদা আপা—যাঁর কণ্ঠে
বোয়ালখালীতে পরিবর্তনের প্রত্যাশা: বোয়ালখালী, চান্দগাঁও ও বায়েজিদ—চট্টগ্রামের এই তিনটি জনপদ যেন যুগের পর যুগ ধরে একটি প্রতীক্ষার ভার বয়ে চলেছে। প্রতীক্ষা একটি দৃঢ়, বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের; একজন এমন প্রতিনিধি,
চেরাগি পাহাড়—চট্টগ্রামের সাহিত্যের বাতিঘর, চিন্তার মিছিল, প্রতিবাদের প্রাণকেন্দ্র। এই ঐতিহাসিক মোড়ে নবীন-প্রবীণ লেখকদের জন্য এক আশ্রয় তৈরি হয়েছে, যার নাম ‘ক্যাফে চেরাগি চক’। রুচিশীল রেস্তোরাঁ নয়, এটি এক সত্যিকারের আড্ডাখানা,
পাঁচ দিন পেরিয়ে এসেও মন থেকে ঝরে না ঈদের সুবাস। হৃদয়ের গহীনে বাঁধা পড়ে আছে এবারের ঈদ উদযাপনের প্রতিটি মুহূর্ত। বহু বছর পর আবারও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরেছি আমার
বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বোয়ালখালীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে বলেছেন, “ঈদ আমাদের জন্য এক অনন্য উৎসব, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার