বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ গোবিন্দগঞ্জে বাক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বৃদ্ধ গ্রেফতার  ! প্রতিকূল আবহাওয়ায় অনুপস্থিত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা বিশেষ সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে সিরাজগঞ্জে ১,৬৭১টি সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয়ে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি’র উদ্বোধন নগরের খেলার মাঠ ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী স্কুল পরিষ্কার রাখতে শিশুদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দিনাজপুর জেলা পরিষদের আয়োজনে উন্নয়নমূলক কাজের ২৫ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর এসডি থাকা ১০১ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব বণ্টন ! চিকন্দী সরাফ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন অ্যাড. আরিফুর রহমান পাবনায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা উদ্বোধন !

কালাইয়ে কর্মকারপাড়া শাদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ: প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জয়পুরহাটে কালাই উপজেলায় কর্মকার পাড়ায় শাদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ,প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা
দেখতেই দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আর এই উৎসবকে ঘিরে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় শুরু হয়ে গেছে উৎসবের আমেজ। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। তাদের নিপুণ হাতে মাটি আর রং তুলির আঁচড়ে জীবন্ত হয়ে উঠছে দেবী দুর্গা ও তার সঙ্গী-সাথীদের প্রতিমা।
উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে এখন সাজ সাজ রব। বাঁশ, কাঠ আর মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে পূজার মূল কাঠামো। এর মধ্যেই শিল্পীরা মনের মাধুরী মিশিয়ে গড়ে তুলছেন মা দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ এবং মহিষাসুরের প্রতিমা। তাদের হাতের ছোঁয়ায় যেন প্রাণ পাচ্ছে প্রতিটি অবয়ব।
কালাই উপজেলায় কর্মকারপাড়ায় শাদীয় দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি খিতেস কর্মকার এবং সাধারণ সম্পাদক বিটল কর্মকার জানান, এ বছরও উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। তারা আরও জানান, কমিটির পক্ষ থেকে পূজার সার্বিক প্রস্তুতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়েও তারা সজাগ।
স্থানীয় কারিগররা জানান, প্রতি বছরই তারা এই সময়ে ব্যস্ত থাকেন। তাদের তৈরি প্রতিমা যখন মণ্ডপে স্থাপন করা হয় এবং ভক্তরা তা দেখে আনন্দ পান, তখন তাদের পরিশ্রম সার্থক মনে হয়।
আগামী দিনগুলোতে রং তুলির শেষ আঁচড় পড়বে প্রতিমাগুলোতে, আর এরপর শুরু হবে দেবীর আরাধনা। কালাইয়ের বাতাসে এখন শুধুই উৎসবের সুর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews