1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ ! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সরকারের ভিজিএফের চাল পেয়ে দুস্থ পরিবারগুলো স্বস্তিতে ঈদ উদযাপন করতে পারবে ফজলুল হক মিলন। শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ ! স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে  অছি নীলফামারীতে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত। রামুর গর্জনিয়া থেকে এক লক্কপিছ ইয়াবা উদ্ধার ! উদ্ধার হওয়া তরুণীকে নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য: শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে হয়রানির অভিযোগ ! নরসিংদীতে ১৮০ দিনের ‘রোডম্যাপ’: রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসনে নতুন দিগন্ত উপ রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসনে গুরুত্ব দিয়ে নরসিংদী জেলা তথ্য অফিসের বিশেষ প্রচারণা গোবিন্দগঞ্জে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ বোতল ফেয়ারডিল’সহ ২ নারী আটক ! শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান জনগণ। লক্ষ্মীপুরে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !

সাফিজল হক তানভীর, শেরপুর
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !

 

মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পর হঠাৎ পাহাড়ি ঢল নামার খবর পাওয়া গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় সূত্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, মেঘালয়ের উজানে টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বুধবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর বাঁধের কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কিছু দিনের মধ্যে বড় ধরনের ঢল নামতে পারে। বর্তমানে নালিতাবাড়ীর ভোগাই ও চেল্লাখালী, ঝিনাইগাতীর মহারশি এবং শ্রীবরদীর সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চেল্লাখালী নদীর বিপদসীমা ২১ দশমিক ৯৪ মিটার হলেও বর্তমানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে প্রায় ২৩ দশমিক ৫৪ মিটার উচ্চতায়। নাকুগাঁও ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে পানি এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও ক্রমেই বাড়ছে। এছাড়া মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান,  চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাতের বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট