
শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পূর্বাভাস ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী জনপদ !
মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পর হঠাৎ পাহাড়ি ঢল নামার খবর পাওয়া গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় সূত্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, মেঘালয়ের উজানে টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বুধবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর বাঁধের কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কিছু দিনের মধ্যে বড় ধরনের ঢল নামতে পারে। বর্তমানে নালিতাবাড়ীর ভোগাই ও চেল্লাখালী, ঝিনাইগাতীর মহারশি এবং শ্রীবরদীর সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চেল্লাখালী নদীর বিপদসীমা ২১ দশমিক ৯৪ মিটার হলেও বর্তমানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে প্রায় ২৩ দশমিক ৫৪ মিটার উচ্চতায়। নাকুগাঁও ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে পানি এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও ক্রমেই বাড়ছে। এছাড়া মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাতের বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ শাহজালাল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন,যুগ্ম-সম্পাদক :মো. কামাল উদ্দিন,
নির্বাহী সম্পাদক : রাবেয়া সিরাজী
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ : মোতালেব ম্যানশন, ২ আর কে মিশন রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১২০৩।
মোবাইল : 01796-777753,01711-057321
ই-মেইল : bhorerawajbd@gmail.com