1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সরকারি রাস্তা দখল ও খাল ভরাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউএইতে আস্তা প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন কাজিপুরে গবাদিপশুর খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  রায়গঞ্জে সরকারি খাসপুকুরে  মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে  সংঘর্ষে দুইজন নিহত  !  এতিম দুইশ শিক্ষার্থীর জন্য নোবিপ্রবি উপাচার্যের ইফতার আয়োজন দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা বিরোধী দলীয় এমপি আমির হামজাকে ৫০ কোটি টাকার প্রস্তাব! কুষ্টিয়াবাসীর প্রশ্ন: কেন?” প্রশাসনে বড় রদবদল: ১ মার্চে কুষ্টিয়াসহ পাঁচ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, মন্ত্রণালয়ে  মেঘনার ছয় অভয়াশ্রমে দুই মাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, বিপাকে জেলেরা

পঞ্চগড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পঞ্চগড় মুক্ত দিবস পালিত

মোঃ মাহমুদুল হাসান বাবু , পঞ্চগড় 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

২৯ নভেম্বর পঞ্চগড় মুক্ত দিবস। দিনটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পঞ্চগড়ে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। সকালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বধ্যভূমি স্মৃতি ফলকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পুনরায় শ্রদ্ধাঞ্জলির পর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান বলেন, পঞ্চগড়ের মুক্ত দিবস আমাদের গৌরবের ইতিহাস। এই মাটির মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধকে অন্তরে ধারণ করে বিজয়ের পথ সুগম করেছিলেন। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানতে হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগকে শ্রদ্ধা করতে হবে। প্রশাসন সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ রক্ষা ও উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে সবাইকে দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।

এছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়খুল ইসলাম, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক পসিকিউটর অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জিপি আব্দুল বারী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আলাউদ্দিন প্রধান মুক্তিযুদ্ধকালীন পঞ্চগড়ের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর দেশজুড়ে আক্রমণ শুরু করলেও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত ছিল। ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনী পঞ্চগড় দখল করলেও তেঁতুলিয়া ছিল পুরো সময়জুড়ে হানাদারমুক্ত। মুক্তাঞ্চল হিসেবে তেঁতুলিয়া মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়, যেখানে অস্থায়ী সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ১ নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনী যৌথভাবে আক্রমণ শুরু করলে একের পর এক এলাকা মুক্ত হতে থাকে। ২০ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত অমরখানা, জগদলহাট, শিংপাড়া, পূর্ব তালমা, আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোরসহ বিভিন্ন এলাকা শত্রুমুক্ত হয়। অবশেষে ২৮ নভেম্বর রাতে পাক সেনারা পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় সম্পূর্ণভাবে হানাদারমুক্ত হয়।
মোঃ মাহমুদুল হাসান বাবু পঞ্চগড় প্রতিনিধি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট