রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দীঘিনালার হাজাছড়া শাপলা বিলে পর্যটকদের ভিড়, বাড়ছে পর্যটন সম্ভাবনা জলঢাকায় ট্রাক-অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ ভালুকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  বর্ণাঢ্য র‍্যালি ‎কিডনি রোগে আক্রান্ত ৫ বছরের শিশু সুমাইয়া, চিকিৎসায় সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা কামনা বাউফলে ৭ ই নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮৫০০ পরিবার পাবে ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা ঘোড়াঘাটে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়তে বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা সুনামগঞ্জে বিএনপি ও প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কালীগঞ্জের নলতায় পল্লী চিকিৎসক প্রশিক্ষণ সেমিনার অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮৫০০ পরিবার পাবে ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬



গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮৫০০ পরিবার পাবে ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা

মির্জা গোলাম হাফিজ, গাইবান্ধা

‎‎গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জীবনমানের উন্নয়ন এবং দুর্যোগ সহনশীলতা বাড়াতে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গিভডিরেক্টলি’-এর সহযোগিতায় এবং স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)’-এর বাস্তবায়নে ‘চয়েস, হোপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (চর) বাংলাদেশ প্রকল্প’ শীর্ষক এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নির্বাচিত প্রতিটি পরিবারকে শর্তহীনভাবে মোট ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

‎‎রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা ১১টায় গাইবান্ধায় জিইউকের রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

‎‎অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন জিইউকের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্ সালাম।

‎

‎প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, ফজলুপুর ও এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন এবং সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মোট ৮ হাজার ৫০০ পরিবার এই সহায়তার আওতায় আসবে। সম্পূর্ণ অর্থ দুটি ধাপে প্রদান করা হবে। যার মধ্যে প্রথম ধাপে চলতি নভেম্বর মাসে ৯ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে আগামী ডিসেম্বরে ৫১ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

‎‎এই অনুদানের বিশেষ দিক হলো—অর্থ খরচের ক্ষেত্রে উপকারভোগী পরিবারগুলোর ওপর কোনো ধরনের বাধ্যবাধকতা বা শর্ত আরোপ করা হয়নি। পরিবারগুলো তাদের নিজস্ব প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী ঘরবাড়ি মেরামত, গবাদিপশু ক্রয়, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা বা সম্প্রসারণ, সন্তানদের শিক্ষা কিংবা সঞ্চয়ের কাজে এই অর্থ ব্যয় করতে পারবে। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থ ব্যবহারের এই স্বাধীনতা চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলবে।

‎‎সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিইউকের পরিচালক আবু সায়েম মো. জান্নাতুন নূর রিশাত, গিভডিরেক্টলির অ্যাসোসিয়েট ফিল্ড ম্যানেজার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী জয়া প্রসাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

‎‎সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews