
বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, দীঘিনালা বাসস্টেশনসহ বিভিন্ন পরিবহন স্টেশনে যাত্রীদের তেমন ভিড় নেই। সারিবদ্ধভাবে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলেও নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ীই চলাচল করছে। দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি রুটে সিএনজি ভাড়া পূর্বনির্ধারিত ৮০ টাকাই রাখা হয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে মাহিন্দ্র (স্থানীয় পরিবহন) স্টেশনেও। সেখানে ৭০ টাকা ভাড়ায় নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখেও এখনো উল্লেখযোগ্য যাত্রীচাপ তৈরি হয়নি। তবে সকালে ঢাকাগামী ও ঢাকা থেকে আসা কিছু গাড়িতে তুলনামূলক চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
তবে জ্বালানি সংকটের অভিযোগ করেছেন চালকরা। তাদের দাবি, তেলের দোকানগুলোতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্ষেত্রে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে বাস কাউন্টারগুলোতেও অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, টিকিট বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে। দীঘিনালা থেকে বাইরে যাওয়ার যাত্রী তুলনামূলক কম হলেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আগত যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা বেশি।
ঈদের ছুটিতে সাধারণত গার্মেন্টস কর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নিজ নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার সময় দীঘিনালা বাসস্টেশনে যাত্রীচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, ঈদকে কেন্দ্র করে সারাদেশে যাত্রীচাপ বৃদ্ধি পেলেও দীঘিনালায় এখনো স্বস্তিদায়ক ও স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করছে।