রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দিনাজপুরে “বউ মেলা” জীবনসঙ্গী খুঁজতে আসবেন আদিবাসী তরুণ-তরুণীরা! শিক্ষিত বেকার বাড়ছে:  কর্মসংস্থানে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি! সাঘাটায় তেল পাচারে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে পিটিয়ে জখম! কবিতা/আত্মোপলব্ধি /আসাদুজ্জামান খান মুকুল কালিহাতীর বল্লা হাটে পরিচ্ছন্নতা  অভিযান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে —জহির উদ্দিন স্বপন বান্দরবানের লামা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিদায়ী সংবর্ধনা সুনামগঞ্জে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন এমপি নুরুল দুই শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে হত্যা রহস্য উদ্‌ঘাটন, গ্রেপ্তার ৭ জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩

গাইবান্ধা ‘ঘাগট ফুড প্রোডাক্টস’: ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে কোটি টাকার সফল ব্র্যান্ড

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬



অদম্য ইচ্ছা শক্তি আর কঠোর পরিশ্রম যে ভাগ্য বদলে দিতে পারে, তার জীবন্ত উদাহরণ গাইবান্ধার তরুণ উদ্যোক্তা মোঃ খালিদ সামস্ জিয়ন। মাত্র কয়েক বছর আগে সামান্য পুঁজি নিয়ে যাত্রা শুরু করা জিয়ন আজ কোটি টাকার ব্যবসার মালিক। তার প্রতিষ্ঠিত ‘ঘাগট ফুড প্রোডাক্টস’ এখন জেলার গণ্ডি পেরিয়ে সারা দেশে পরিচিতি পাচ্ছে।
​
​২০২১ সালে গাইবান্ধা বিসিক শিল্প নগরীতে খুব ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু করেন জিয়ন। সে সময় তার সম্বল ছিল মাত্র ৩৫ হাজার টাকা আর অদম্য স্বপ্ন। মাত্র ৪ জন শ্রমিক নিয়ে তিনি তৈরি করতে শুরু করেন লাচ্চা সেমাই ও বুরিন্দা। ব্যবসার শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না, তবে জিয়নের গুণগত মান বজায় রাখার জেদ তাকে পিছিয়ে পড়তে দেয়নি। বিসিকের সেই ছোট্ট কারখানাটিই আজ বিশাল কর্মযজ্ঞে পরিণত হয়েছে।
​
​গত কয়েক বছরে জিয়নের ব্যবসায়িক বিনিয়োগের পরিমাণ ছাড়িয়েছে কোটি টাকার ঘর। তবে তার সবচেয়ে বড় অর্জন স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান। শুরুতে ৪ জন থাকলেও বর্তমানে তার কারখানায় কাজ করছেন নারী-পুরুষ মিলে প্রায় ৮০ জন শ্রমিক।
​
জিয়নের তৈরি লাচ্চা ও বুরিন্দা এখন শুধু গাইবান্ধাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ঢাকা সহ দেশের প্রায় ১০টি জেলায় নিয়মিত সরবরাহ করা হচ্ছে তার এই পণ্য।
​”ইচ্ছে শক্তি থাকলে যে কেউ শূন্য থেকে শুরু করতে পারে। আমি যখন ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে বিসিকে কারখানা দেই, তখন অনেকেই ভেবেছিল এটা অসম্ভব। আজ ৮০ জন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে আমি তৃপ্ত।” —মোঃ খালিদ সামস্ জিয়ন৷ ​স্থানীয় অর্থনীতির আশার আলো গাইবান্ধার মতো একটি জেলা থেকে জিয়নের এই উত্থান স্থানীয় অন্য তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা বিসিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল ফেরদৌস বলেন, গাইবান্ধা জেলায় বেশ কিছু সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা রয়েছে, জিয়নের মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (SME) সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা দিলে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। খালিদ সামস্ জিয়ন প্রমাণ করেছেন, বড় কিছু করতে শুধু বিশাল মূলধন নয়, প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা আর হার না মানা মানসিকতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews