
কমছেই না শীতের দাপট। টানা ১৩ দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়। ভোর সকাল রৌদ্রময় হলেও হিমশীতল বাতাসে ঝরছে কনকনে শীত। টানা ১৩ দিনের শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশের শীতলতম স্থানের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে উত্তরের এ জেলা।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার রেকর্ড হয়েছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। গত ৯ জানুয়ারি হতে ১৬ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন ও গত ৬ জানুয়ারি হতে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে উত্তরের এ জেলায়।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভোরেই দেখা গেছে ঝলমলে রোদ। তবে কনকনে শীতের দাপটে ম্লান হয়ে যাচ্ছে রোদের তাপপ্রবাহ। বাতাসের আর্দ্রতা শতভাগ থাকায় শীতের কামড় অনুভূত হচ্ছে হাড় পর্যন্ত। রাত থেকে সকাল ৯টা-১০টা পর্যন্ত কনকনে শীতের প্রকট থাকায় বিপাকে জীবনযাপন করছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তীব্র শীত উপেক্ষা করেই জীবনযুদ্ধে নেমেছেন প্রান্তিক মানুষগুলো।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ নিয়ে টানা ১৩ দিন ধরে টানা শৈত্যপ্রবাহের কবলে রয়েছে এ জেলা। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রিতে উঠলেও রাতের বেলায় তা দ্রুত কমে যাচ্ছে। ফলে রাতে ও ভোরে শীতের অনুভূতি তীব্রতর হচ্ছে।