গতকাল রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বিলাসবহুল রেস্টুরেন্ট হলে চট্টগ্রামের প্রাণবন্ত যুব সংগঠন “চাটগাঁইয়্যা নওজোয়ান”-এর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ২০২৫ সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবের আমেজে ভরা এই আয়োজনে সংগঠনের সদস্য, পরিবার ও বিশিষ্ট
আমরা দেখতে পাচ্ছি মাহবুবুর রহমান সাগর ও সাগর ভাবীকে। দুজনেই লাল রঙের মনোমুগ্ধকর পোশাকে পরিপাটি হয়ে বসে আছেন, এক অন্তরঙ্গ ও আনন্দঘন মুহূর্তে। সাগর ভাবী হাতে মাইক্রোফোন ধরে সুরের ছন্দে
তারুণ্যের দীপ্তি, প্রবাসের আলোকবর্তিকা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন-এর পক্ষ থেকে ঈদ ও বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা… প্রিয় বোয়ালখালীবাসী, প্রিয় চট্টগ্রামবাসী, আসসালামু আলাইকুম ও আন্তরিক সালাম, আবার এসেছে পবিত্র ঈদ—আনন্দ, আত্মশুদ্ধি ও
মনের আয়নায় সেই যে মানুষটির কথা লিখতে বসলাম -সেই মানুষটিকে আমার ছেলের শাশুড় হিসেবে জীবনের ঘূর্ণিপাকে হঠাৎ করে একদিন আমার সামনে উদ্ভাসিত হলেন তিনি—কামাল চোবান। নামটি উচ্চারণ করলেই হৃদয়ের গভীরে
বৈশাখ আসে প্রতিবার, নব সূর্যের আহ্বানে। আসে হৃদয়ে উন্মাদনা, জীবনে নতুনের রঙ ছড়াতে। কিন্তু এবারের বৈশাখ যেন গানে-ভাসা এক অনন্য অধ্যায় হয়ে উঠল—যার কেন্দ্রজুড়ে ছিলেন এক শিল্পী, যার নামেই যেন
নতুন সূর্য উঠেছে আজ। চারদিকে আলপনার রেখা, বাতাসে শাড়ি-পাঞ্জাবির খসখস, উৎসবের ঢেউ বয়ে চলেছে শহরের অলিতে-গলিতে। বৈশাখ এসেছে তার চিরচেনা জাঁকজমক নিয়ে—পান্তা-ইলিশের গন্ধ, ঢোলের শব্দ, গানের তালে শরীর দুলে ওঠে
বৈশাখের সকালে সূর্যটাও বুঝি একটু রঙ চড়িয়েই উঠেছিল। আলোয় ছিল লালচে উজ্জ্বলতা, হাওয়ায় একটা কাঁপুনি, আর আকাশে পাখিদের ডানায় যেন ছিল গানের নোটেশন। এমন দিনেই আমরা পৌঁছালাম শতায়ু অঙ্গনে—একটা জায়গা
এক ঝলক আলো এসে যেন ঘরে ঢুকে পড়ে – মুখভরা হাসি, চোখে টলমল তারার মতো ঝিকিমিকি চাহনি, আর কপালের কোণে কোঁকড়ানো চুলগুলো এমনভাবে নেচে ওঠে, যেন কোনো পুরোনো কবিতা নতুন
চিটাগং ক্লাবের ছায়াময় প্রাঙ্গণ, তার এক কোণে বসে থাকা দুটি দীপ্তিময় মুখ। একদিকে উপমহাদেশের কিংবদন্তি নজরুল সংগীত শিল্পী, জাতীয় কবি নজরুল মঞ্চের সভাপতি, আমাদের প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় ফরিদা আপা—যাঁর কণ্ঠে
বোয়ালখালীতে পরিবর্তনের প্রত্যাশা: বোয়ালখালী, চান্দগাঁও ও বায়েজিদ—চট্টগ্রামের এই তিনটি জনপদ যেন যুগের পর যুগ ধরে একটি প্রতীক্ষার ভার বয়ে চলেছে। প্রতীক্ষা একটি দৃঢ়, বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের; একজন এমন প্রতিনিধি,