সংগুপ্তছায়ার হরিণী মোহাম্মদ আলীম -আল-রাজী সংগুপ্তছায়ার হরিণী নাচে, চোখে তার মায়া, গভীর আভাসে। পাতার ফাঁকে ফাঁকে আলো ঝরিছে, নিস্তব্ধ বাতাসে গন্ধ মিশিছে। তৃষ্ণার ফুল ফোটে তার পদতলে, বনের কাননে সুর
শকুন মো. আব্দুল আলিম মানুষ মানুষের রক্ত খায় মানুষের বিরুদ্ধে মানুষ রক্ত ঝরে প্রতিনিয়ত, গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে নগর যেন এক অমানবিক, নিষ্ঠুর যুদ্ধ! মনুষ্যত্ব আজ কোথায় হারালো বিবেকের
আল্লাহ আমার এম এম মিজান আল্লাহ আমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ আমার রব। তিনি ছাড়া এই দুনিয়ায়। নেই কেউ পরাভব। আল্লাহ আমার রিজিক দাতা, আল্লাহ আমার প্রভু। খোদার হুকুম
আপনজন লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল চেনা মানুষের অচেনা আচরণ ভীষণ যাতনা যন্ত্রণার কারণ, ভালবাসার কথা বলে হয় ছলনা অশ্রুতে অনল নেভানো যায় না। অপরের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর আপন যখন
নিরাপদ পথের আহ্বান চলো সবাই পথে নামি, নিয়ম মানি, জীবন দামি। সচেতনতা হোক সাথি, ফিরে আসুক ঘরে রাতি। হেলমেট পরে চালাও ভাই, সিগন্যাল মানো, রক্ষা পাই। একটু ধৈর্য সবার
হেমন্ত লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল হেমন্তে শিশির ভেজা সকাল সূর্যের আলো ঝিলমিল করে, শেষ রাতে কুয়াশা পড়ে শীতের আমেজ ভোরের বাতাসে। শরতের শেষে হেমন্ত আসে কাঁচা-পাকা ধান আনন্দে হাসে,
বাংলাদেশে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের অনেকেই নিজেদের বাসা-বাড়িতে আয়া-বুয়া, চাকর-বাকর, পিয়ন, দারোয়ান, গার্ড, বডিগার্ড বা গানম্যান রাখেন। বিস্ময়ের বিষয় হলো-তাদের বস যত বেশি ক্ষমতাশালী, এই কর্মচারীরাও তত
দুর্নীতি বিরোধী লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল দুর্নীতির সংক্রামক রোগে সাধারণ জনতা ভোগে, যারা দুর্নীতি করে তারা থাকে সুখে! দেশ ধ্বংসের পথে। সত্য অবনত বেশে মিথ্যা চলে এগিয়ে, দুর্নীতির ছলে
ফরিদা পারভীন: স্মরণকাব্য ভূমিকা ফরিদা পারভীন শুধুমাত্র একজন গায়িকা ছিলেন না, তিনি বাংলার সুরের এক অমলিন প্রতীক। লালনগীতি ও বাউলগানকে তিনি এমনভাবে হৃদয়ে তুলে ধরেছিলেন, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে
চেরাগি চকের আড্ডায় নুসরাত—রন্ধনের মায়াবতী, আলোকিত জীবনের প্রতিচ্ছবি- চেরাগি চক—চট্টগ্রামের প্রাণের আড্ডাঘর। বহু গল্প, গান, কবিতা, রাজনীতি আর সংস্কৃতির মিশেলে এ জায়গা হয়ে উঠেছে এক অবিনশ্বর স্মৃতিসৌধ। আজকের দিনটিও যেন