
দীঘিনালায় বন্যার্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য বিতরণ !
হাসান মোর্শেদ, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) :
চার দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় দ্বিতীয় দিনের মতো বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল এখনো পানির নিচে থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তায় উপজেলার ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রশাসনের সার্বক্ষণিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দীঘিনালা সেনাবাহিনীর ফোর ইস্ট বেঙ্গল জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল আমিন, পিএসসি-এর নির্দেশনায় কবাখালী এলাকার একাধিক আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জোন অ্যাডজুট্যান্ট ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল আজমিরের নেতৃত্বে শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। অন্যদিকে, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে সাজেকে বেড়াতে গিয়ে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। পাশাপাশি দীঘিনালার সঙ্গে রাঙ্গামাটির সাজেক ও লংগদু প্রধান সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় ওই সড়কগুলোতেও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া পরিবারগুলোর জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানজিল পারভেজ বলেন, “উপজেলার ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাকবলিত পরিবারগুলোকে নিরাপদে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে এবং আশ্রিতদের জন্য শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।”