
চাকরি দেওয়ার নামে ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !
মোঃ কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম (এম এ কাশেম)-এর বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিচয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন প্রদীপ কুমার ঘোষ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রদীপ কুমার ঘোষ বলেন, ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে মোট ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা নেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি না দিয়ে তিনি টাকা ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময় টালবাহানা করেন। বর্তমানে তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। প্রদীপ কুমার ঘোষের দাবি, তিনি একা নন; চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। এতে তিনি ও তাঁর পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছ থেকে ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করারও আহ্বান জানানো হয়। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদরউপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের রাজবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা প্রদীপ কুমার ঘোষ।