1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
‎নবীনগরে গণভোট বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত  নোয়াখালীতে ২৫০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রংপুরে বধিরদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  প্রেম, বেদনা আর বাস্তবতার গল্পে ইমন খানের নতুন গান ‘তোমার বাসর রাইতে বন্ধু আমার হইবোরে কবর’ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে  শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জাতীয়তাবাদী পেশাজীবি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী ভলিবল প্রতিযোগিতা ঝিনাইগাতীতে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির ১ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরু হত্যাকাণ্ড:  রেজাউল করিম ও বালু কামাল হত্যাকারিদেরকে অর্থায়ন করতো!

মো.কামাল উদ্দিন
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

রাউজানে আলোচিত-সমালোচিত কুখ্যাত খলনায়ক ফজলুল করিমের নির্দেশে ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরুকে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ চট্টগ্রাম শহরের গনি বেকারি এলাকার বাসা থেকে পুলিশ এসআই শেখ জাবেদ ও সন্ত্রাসীরা তুলে নিয়ে রাউজানে নির্মমভাবে হত্যা করে কর্ণফুলী নদীতে ভাসিয়ে দেয়। এই ঘটনায় রাউজানের তৎকালীন ওসি ক্যাপায়েতকে বাদ দিয়ে ফজলুল করিমকে প্রধান আসামি করে গত ১ সেপ্টেম্বর চকবাজার থানায় অপহরণপূর্বক হত্যা মামলা দায়ের হয় (মামলা নম্বর-১, তারিখ ১/৯/২০২৪; ধারা ৩০২/৩৬৪/৩৪)।

আসামির তালিকা

এই মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন ফজলুল করিম, এসআই শেখ জাবেদ, বাবুল মেম্বার, নাসের ওরফে টাইগার নাসের, মো. লিটন, তৈয়ব, ফরিদ, মামুন, আবু জাফর রাশেদ, ইয়ার মোহাম্মদ ওরফে বাছইন্যা, সেকান্দর, জসিম, খালেক, বাবুল, মো. রব্বানী, হাসান মোহাম্মদ নাসির, মো. মোরশেদ এবং আরও ৩০/৪০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, এই সন্ত্রাসীরা রাউজানে তাদের নেতার নির্দেশে প্রতিনিয়ত হত্যা, রাহাজানি, নারী ধর্ষণ, অপহরণ এবং চাঁদাবাজি করতো। বিশেষ করে, কর্ণফুলী নদীর বালুচর নিয়ন্ত্রণের সময় তাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে রেজাউল করিম চৌধুরী ও বালু কামালের। বালু চুরি ও অপরাধজগতের যোগসূত্র

রেজাউল করিম চৌধুরী, যিনি পরবর্তীতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হন, কর্ণফুলী নদীর বালুচর নিয়ন্ত্রণ করে বালু ব্যবসা শুরু করেন। তার প্রতিষ্ঠান চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ-এর মাধ্যমে তিনি বালু চুরি করেন এবং সেই কারণে তিনি “বালু চৌধুরী” নামে পরিচিত। তার সহযোগী ছিলেন কালুরঘাটের বালু কামাল, যিনি মূলত বালু চোরের নেতা। তারা মিলে রাতের বেলায় বালু চুরি করে বিক্রি করতেন এবং বালু চুরির অর্থ ভাগাভাগি করতেন।

বৈধ বালুর ব্যবসা শুরু করলেও পরে  এই বালু চুরির মাধ্যমে রেজাউল করিমের সঙ্গে বালু কামালের ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে।  রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক প্রভাব রেজাউল করিম, শেখ হাসিনার আশীর্বাদে রাতারাতি মেয়র হওয়ার পর, ফজলুল করিমকে খুশি করার জন্য নোয়া পাড়ার কিলার বাহিনীকে প্রতিমাসে মোটা অংকের টাকা দিতেন। এই অর্থের পাশাপাশি বিভিন্ন অবৈধ সুযোগ সুবিধা দিয়ে অপরাধ কর্মে উৎসাহিত করতেন। অভিযোগ রয়েছে, নুরুকে হত্যার পরও রেজাউল করিম ও বালু কামাল এই সন্ত্রাসীদের আনন্দ-উল্লাসের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ করেছিলেন।

সিটি করপোরেশন ও অবৈধ কার্যক্রম চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে রেজাউল করিম শত শত কোটি টাকার কাজ বালু কামালের নামে বরাদ্দ দেন। এক্ষেত্রে প্রকৃত মালিক ছিলেন রেজাউল করিম, তবে কামাল তার থেকে একটি অংশ পেতেন বলে জানা যায়। সিটি করপোরেশনের গোপন সূত্রে জানা যায়, সাধারণ ঠিকাদারদের বিল আটকে থাকলেও কামালের বিল আগাম পরিশোধ করা হতো।

কর্ণফুলী নদীর নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন রেজাউল করিম ও বালু কামাল কর্ণফুলী নদীতে অবৈধভাবে বালু বিক্রির একাধিক কেন্দ্র পরিচালনা করেন। একে খানের ম্যাচ কারখানার পাশে তাদের একটি বড় আকারের অবৈধ বালু বিক্রি সেন্টার রয়েছে, যা থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা আয় হয়। রেজাউল করিম চৌধুরী বালুর ব্যবসা শুরু করেছিলেন নুর সিন্ডিকেটের নামে বন্দর থেকে ইজারা নেওয়া নোয়াপাড়া বালুচরের মাধ্যমে,

অভিযোগ রয়েছে, নুর সিন্ডিকেটের বালু ব্যবসা থেকে রেজাউল করিম প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। রেজাউল করিম ও বালু কামাল নোয়া পাড়ার সন্ত্রাসীদের আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে কর্ণফুলী নদীর ব্যবসায়ী ও নোয়া পাড়ার সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছেন। এ বিষয়ে সমাজের সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট