1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
ক্লিনিক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সরকারি চিকিৎসা তালাবদ্ধ শত কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে ব‍্যবসা করি- মাদক ব্যবসায়ী!  সিলেটের মাগুরছড়া ট্র্যাজেডির ২৯ বছর আজ ! রংপুরে  পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ! পীরগঞ্জে স্বপ্নসারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ! জাতীয় শিক্ষাক্রমে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ! শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবিত পণ্য পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ! দিনাজপুরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের২৬তম ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ! পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ ! গোমস্তাপুর রোকনপুর সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ-ইন প্রতিহত করল বিজিবি ! ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা !

ক্লিনিক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সরকারি চিকিৎসা তালাবদ্ধ শত কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন

শেখ মোঃ আকরাম হোসেন, খোকসা, কুষ্টিয়া
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

ক্লিনিক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সরকারি চিকিৎসা তালাবদ্ধ শত কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন, হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে, কিন্তু রোগ নির্ণয়ের আধুনিক যন্ত্রপাতি অচল-রোগীদের বলা হচ্ছে “এখানে পরীক্ষা হয় না”, বাধ্য হয়ে ছুটতে হচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিকে

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা চলমান থাকলেও রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, হাসপাতালের ভেতরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন থাকলেও সেগুলো ব্যবহার না করে রহস্যজনকভাবে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে থাকা গুরুত্বপূর্ণ রোগ নির্ণয় মেশিনগুলো কার্যত তালা বন্ধ করে অচল অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়েছে, ফলে সেগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ এসব যন্ত্রপাতি সচল থাকলে সাধারণ রোগীরা স্বল্প খরচে সরকারি হাসপাতালেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারতেন।

ভুক্তভোগী রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে আসার পর অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকেরা তাদের বলে থাকেন“এই ধরনের পরীক্ষা এখানে করার ব্যবস্থা নেই, বাইরে থেকে করাতে হবে।” অথচ বাস্তবে হাসপাতালের ভেতরেই সেই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট কিছু বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে, যেখানে একই পরীক্ষার জন্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, সরকারি হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা অচল রেখে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকমুখী করার একটি সিন্ডিকেটভিত্তিক কমিশন বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শত কোটি টাকার আধুনিক রোগ নির্ণয় যন্ত্রপাতি পড়ে রয়েছে। কিন্তু নানা অজুহাতে সেগুলো চালু করা হচ্ছে না। বরং যখনই এগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন আশপাশের কয়েকটি জেলার বেসরকারি ক্লিনিক মালিকদের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

সচেতন মহলের মতে, যদি সরকারি হাসপাতালের রোগ নির্ণয় যন্ত্রপাতি ইচ্ছাকৃতভাবে অচল করে রাখা হয়ে থাকে, তবে তা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়-এটি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা অধিকারকে বিপন্ন করার শামিল। দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট