রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাধবদীতে প্রবাসীর বাড়িতে তাণ্ডব: চাঁদাবাজ ‘বোমা সেলিম’ ও তার বাহিনীর বিচারের দাবিতে উত্তাল নরসিংদী হাটহাজারীতে শতবর্ষী হাজারি খাল পুনর্দখলের চেষ্টা, উদ্বেগে এলাকাবাসী ! গাইবান্ধার বাদিয়াখালীতে দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত, দেড় শতাধিক রোগীর সেবা গ্রহণ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করেছে ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন জয়পুরহাটে স্ত্রীকে মারপিট করে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাটে অসহায় ৪৩০ পরিবারের  মাঝে ত্রাণের ২০ কেজি করে চাল বিতরন ! ঘোড়াঘাটে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ! মাজার ও দরগাহ শরীফের আয়-ব্যয়ের হিসাব সরকারি কোষাগারে নেয়ার দাবি: জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদের মানববন্ধন ! অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই, মানববন্ধনে ছবি ব্যবহার গভীর ষড়যন্ত্র—ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন ! মেহেন্দিগঞ্জের গোবিন্দপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা স্থানীয়দের।

শেরপুর জনস্বাস্থ্যের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বে থেকেও চরম অনীহা, অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে শেরপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে। গত ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ তারিখে তাকে শেরপুর জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়। আগে তিনি ময়মনসিংহ জেলায় টানা চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেন। ময়মনসিংহের (১৩টি উপজেলা) থেকে তুলনামূলকভাবে ছোট জেলা শেরপুরে ( ৫ উপজেলা) পদায়নের পর থেকেই দায়িত্ব পালনে তার চরম অনীহা ও অবহেলা দৃশ্যমান বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অফিসের নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিতি এখন রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। একসাথে জামালপুর ও শেরপুরের দায়িত্বে থাকলেও শেরপুরের আসেন মাত্র সপ্তাহে ১ দিন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর জামালপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর পদটি বদলিজনিত কারণে শুন্য হলে জামাল হোসেন প্রধান প্রকৌশলীর উপর চাপ প্রয়োগ করে জামালপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বও গ্রহন করেন। দুই জেলার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি ৫ কর্মদিবসের মধ্যে মাত্র একদিন অফিস করেন। ঐদিন সকালে ময়মনসিংহ থেকে এসে অর্ধবেলা শেরপুর অর্ধবেলা জামালপুরে অবস্থান করেন। বাকি চারদিন দুই জেলার কোন অফিসেই তাকে পাওয়া যায় না।
লোকমুখে শোনা গেছে এসময় তিনি বদলির তদবিরে ব্যস্ত থাকেন। দাপ্তরিক প্রয়োজনে কেউ তাকে ফোন করলে তাদের সাথেও দূর্বব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ,পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ বিলুপ্ত হওয়ায় বর্তমানে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে কর্ম সম্পাদন সহয়তা কমিটির মাধ্যমে। শেরপুর ও জামালপুর জেলা পরিষদ ও পৌরসভার এসব কমিটির সদস্য হয়ে একটিতেও উপস্থিত থাকেন না নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেন। ফলে উন্নয়ন কাজের অনুমোদন, বিল ছাড় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে দুই জেলার ঠিকাদাররা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে এর আগের মেয়াদে নকলা ও নালিতাবাড়ী র কিছু উন্নয়ন কাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এব্যাপারে শেরপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়। আমি নিয়মিতই দুই জেলায় অফিস করেছি। আমি আজও শেরপুর আছি।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews