1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হত্যা মামলার আসামি হয়েও বিটিআরসিতে বহাল তবিয়তে খালেদ ফয়সাল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানকে ‘খারাপ পরিণতির’ হুমকি ট্রাম্পের প্রাথমিকের প্রতিটি স্কুলকে ‘স্বায়ত্তশাসিত’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা ত্রয়োদশ  সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: সেনাপ্রধান ধানের শীষকে বিজয়ী করতে শরীয়তপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে বিএনপির আলোচনা সভ্য নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেটের দাবিতে বাউফলে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ড্রোন ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ঘোষণা শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে  বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক কালাইয়ের কুজাইল দিঘী ইজারা নিতে জেলেদের আবেদন

শেরপুর জনস্বাস্থ্যের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

 সুমন কুমার দে,শেরপুর
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বে থেকেও চরম অনীহা, অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে শেরপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে। গত ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ তারিখে তাকে শেরপুর জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়। আগে তিনি ময়মনসিংহ জেলায় টানা চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেন। ময়মনসিংহের (১৩টি উপজেলা) থেকে তুলনামূলকভাবে ছোট জেলা শেরপুরে ( ৫ উপজেলা) পদায়নের পর থেকেই দায়িত্ব পালনে তার চরম অনীহা ও অবহেলা দৃশ্যমান বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অফিসের নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিতি এখন রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। একসাথে জামালপুর ও শেরপুরের দায়িত্বে থাকলেও শেরপুরের আসেন মাত্র সপ্তাহে ১ দিন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর জামালপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর পদটি বদলিজনিত কারণে শুন্য হলে জামাল হোসেন প্রধান প্রকৌশলীর উপর চাপ প্রয়োগ করে জামালপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বও গ্রহন করেন। দুই জেলার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি ৫ কর্মদিবসের মধ্যে মাত্র একদিন অফিস করেন। ঐদিন সকালে ময়মনসিংহ থেকে এসে অর্ধবেলা শেরপুর অর্ধবেলা জামালপুরে অবস্থান করেন। বাকি চারদিন দুই জেলার কোন অফিসেই তাকে পাওয়া যায় না।
লোকমুখে শোনা গেছে এসময় তিনি বদলির তদবিরে ব্যস্ত থাকেন। দাপ্তরিক প্রয়োজনে কেউ তাকে ফোন করলে তাদের সাথেও দূর্বব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ,পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ বিলুপ্ত হওয়ায় বর্তমানে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে কর্ম সম্পাদন সহয়তা কমিটির মাধ্যমে। শেরপুর ও জামালপুর জেলা পরিষদ ও পৌরসভার এসব কমিটির সদস্য হয়ে একটিতেও উপস্থিত থাকেন না নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেন। ফলে উন্নয়ন কাজের অনুমোদন, বিল ছাড় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে দুই জেলার ঠিকাদাররা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে এর আগের মেয়াদে নকলা ও নালিতাবাড়ী র কিছু উন্নয়ন কাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এব্যাপারে শেরপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়। আমি নিয়মিতই দুই জেলায় অফিস করেছি। আমি আজও শেরপুর আছি।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট