
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের মধ্যে শরীফ ওসমান হাদি একজন। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন গত বৃহস্পতিবার ১৮ ই ডিসেম্বর রাত পৌনে ১০ টায়।
দেশে তার লাশের কফিনে গায়ে লেখা নিয়ে সংশয় জাগে। বিভিন্ন মহলে কথা উঠে, এবং সোস্যাল মিডিয়ায় তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরমের কপিও প্রকাশ হয়, তার পরিপেক্ষিতে সকলে অবগতির জন্য লেখাটি। ওসমান হাদি- এই নামেই যাঁকে দেশের মানুষ চিনেছে, তবে তাঁর প্রকৃত নাম ওসমান গণি। সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় হওয়ার সময় তিনি ‘ওসমান হাদি’ নামেই পরিচিতি লাভ করেন। তবে পারিবারিক ও সরকারি নথিতে তাঁর নাম ছিল ওসমান গণি।
প্রকৃত নাম বনাম পরিচিত নাম : পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, ওসমান গণিই তাঁর প্রকৃত ও আইনগত নাম। জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ এবং অন্যান্য সরকারি নথিতে এই নামই ব্যবহৃত হয়েছে। অন্যদিকে, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি পরিচিতি পান ‘ওসমান হাদি’ নামে- যা মূলত তাঁর আন্দোলনকালীন পরিচয়।
নাম পরিবর্তনের কারণ: জানা গেছে, ওসমান গণি তাঁর প্রয়াত পিতা মাওলানা শরিফ আব্দুল হাদি–এর নামানুসারেই ‘হাদি’ নামটি গ্রহণ করেন। আন্দোলনের সময় তিনি নিজেকে ‘শরিফ ওসমান হাদি’ হিসেবে পরিচিত করেন। এর আগে সাহিত্যচর্চায় ‘সীমান্ত শরিফ’ ছদ্মনামেও তিনি পরিচিত ছিলেন।