1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
ইন্দোনেশিয়ার ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লায় শর্ট গানের তিন রাউন্ড কার্তুজ, পুলিশের ইউনিফর্ম সহ গ্রেফতার -১! জহুরুলের জীবনে নেমে এসেছে বিপযয়! বাউফলে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩; আটক ৪! ৩৪ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি কুমিল্লায় ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ করা কিশোরী। পীরগঞ্জে গ্রাম আদালতের সুফল সম্পর্কে জনসচেনতা বিষয়ক কর্মশালা।  খোকসায় হাইওয়ে সড়কে অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা! কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন সহ অন্যান্য ভবনের জায়গা পরিদর্শনে আসেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান। ক্ষেতলালে সড়কে খড় শুকানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট,২ জনকে জরিমানা! ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ ও উত্তরণের উপায়। কুমিল্লায় বশির হত্যা মামলার আসামি তাহের আটক!

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

ভোরের আওয়াজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনও নিখোঁজ ১২ জনকে খুঁজে বের করার জন্য উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার দেশটির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা একথা জানিয়েছেন। প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে বৃহস্পতিবার মধ্য জাভা প্রদেশের তিনটি গ্রামের কিছু ঘরবাড়ি চাপা পড়ে ও অন্যান্য বেশকিছু স্থাপনার ক্ষতি হয়।  স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এএফপিকে বলেন, শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১১ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজ আরও ১২ জনের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিস, সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।’  এর আগে জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার দুটি, শুক্রবার একটি ও  শনিবার আটটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার অনুসন্ধানে সহায়তা করার জন্য খননকারী যন্ত্র ও (অনুসন্ধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ট্র্যাকিং কুকুর মোতায়েন করেছে।

জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা চলতি সপ্তাহের শুরুতে জলবায়ু বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করেছিল।তারা আরো জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতেও ইন্দোনেশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটিতে বার্ষিক বর্ষা মৌসুম সাধারণত নভেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত থাকে।  ইন্দোনেশিয়ায় এই সময়ে প্রায়শই ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।জলবায়ু পরিবর্তন ঝড়ের ধরণকেও প্রভাবিত করেছে এবং আগের চেয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো স্বরূপ পাল্টে গেছে। যার মধ্যে রয়েছে মৌসুমের সময়কাল ও তীব্রতা, ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা ও শক্তিশালী বাতাসের আঘাত। নভেম্বরের শুরুতে, পাপুয়ার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।

সূত্র : খবর  বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট