শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে রহনপুরে ‘A+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২৬’ সম্পন্ন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এলাকা পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ! বান্দরবানে ইয়াবাসহ এগার মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার সাইবার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ক্ষোভ: দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ জলতরঙ্গ পয়েন্টে মর্মান্তিক ঘঠনা; সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না সঙ্গীর, চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন কবি আল মুজাহিদী স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল বানিজ‍্য মেলার নামে চলছে রমরমাট জুয়ার ব‍্যবসা,প্রশাসনের নিরব ভুমিকায় জনমনে প্রশ্ন!

ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্র্যাচুইটির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ !

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্র্যাচুইটির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ !

মোঃ কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ কাশেমের বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর গ্র্যাচুইটির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের শিক্ষক নজরুল ইসলাম ২০২৩ সালে এবং পিয়ন আজিবার রহমান ২০২৫ সালে অবসরে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নজরুল ইসলামের জন্য তিন লাখ টাকা এবং আজিবার রহমানের জন্য এক লাখ ৩৩ হাজার টাকা গ্র্যাচুইটি নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম এক লাখ টাকা এবং আজিবার রহমান ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন। বাকি অর্থ এখনো পাননি বলে দাবি তাঁদের। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, “অবসরের পর ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমার তিন লাখ টাকা পাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে এক লাখ টাকা পেয়েছি। বাকি টাকা চাইলে প্রধান শিক্ষক আর দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন।” অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আজিবার রহমান বলেন, “আমার এক লাখ ৩৩ হাজার টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮৩ হাজার টাকা এখনো পাইনি। আমি অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছি। প্রাপ্য অর্থ পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সরোবর হোসেন বলেন, “পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁদের গ্র্যাচুইটির অর্থ পেয়েছেন। সেই বিবেচনায় তাঁরাও এ অর্থ পাওয়ার যোগ্য বলে আমি মনে করি।” স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক এম এ কাশেমের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা। তবে প্রধান শিক্ষক এম এ কাশেম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বর্তমান সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী তাঁরা কোনো গ্র্যাচুইটির অর্থ পাওয়ার যোগ্য নন। পূর্বে যে অর্থ দেওয়া হয়েছে, সেটিও নিয়মসঙ্গত ছিল না। আমার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগও সম্পূর্ণ মিথ্যা।” বিদ্যালয়ের অ্যাডহক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন বলেন, “ভুক্তভোগীরা এখনো আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেননি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews