শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে রহনপুরে ‘A+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২৬’ সম্পন্ন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এলাকা পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ! বান্দরবানে ইয়াবাসহ এগার মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার সাইবার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ক্ষোভ: দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ জলতরঙ্গ পয়েন্টে মর্মান্তিক ঘঠনা; সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না সঙ্গীর, চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন কবি আল মুজাহিদী স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল বানিজ‍্য মেলার নামে চলছে রমরমাট জুয়ার ব‍্যবসা,প্রশাসনের নিরব ভুমিকায় জনমনে প্রশ্ন!

সরকারি স্কুলে ‘অতিরিক্ত ফি আদায়! খণ্ডকালীন শিক্ষকের বেতনের দোহাই, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা !           

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

সরকারি স্কুলে ‘অতিরিক্ত ফি আদায়! খণ্ডকালীন শিক্ষকের বেতনের দোহাই, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা !           

আনিসুর রহমান সোনারগাঁ :

সরকারি বিদ্যালয়ে কম খরচে মানসম্মত শিক্ষা পাওয়ার আশায় সন্তানদের ভর্তি করালেও উল্টো অতিরিক্ত ফি ও নানা খাতে অর্থ আদায়ের চাপে ক্ষোভে ফুঁসছেন অভিভাবকরা। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া এলাকার হরিদাস গৌর গোবিন্দ শ্যামসুন্দর স্মৃতি সরকারি বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি তিন মাস পরপর ৭৫০ টাকা করে আদায় করছে। এছাড়া টিফিনসহ বিভিন্ন খাত দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন অভিভাবকরা। সম্প্রতি ‘টিফিন বাবদ ৫০ টাকা আদায় নিয়েও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একাধিক অভিভাবক জানান, সরকারি বিদ্যালয়ে সন্তানদের ভর্তি করানোর মূল কারণ ছিল তুলনামূলক কম খরচে শিক্ষা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে বিভিন্ন অজুহাতে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। তারা বলেন, “একদিকে তিন মাস পরপর ৭৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে টিফিন ও অন্যান্য খাত দেখিয়ে বাড়তি টাকা দাবি করা হচ্ছে। সরকারি স্কুলে এমন অর্থ আদায় আমাদের জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ে সরকারি শিক্ষকের সংকট রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে একাধিক খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিতে হয়েছে। তাদের বেতনের অর্থ জোগান দিতেই অতিরিক্ত ফি নেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারি বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকের বেতন পরিশোধের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কতটা বৈধ—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় সরকারি নীতিমালার বাইরে গিয়ে এ ধরনের অর্থ আদায় করা হলে তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। স্থানীয়দের মতে, সরকারি বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ নতুন নয়। তবে খণ্ডকালীন শিক্ষকের বেতন ও টিফিনের অজুহাতে নিয়মিত অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায় শিক্ষার নামে এমন আর্থিক চাপ সাধারণ অভিভাবকদের জন্য আরও দুর্ভোগ ডেকে আনবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews