1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেক দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ-এটিএম কামরুল ইসলাম । নতুন পে স্কেল প্রদান সরকারের সময়োপযোগী প্রশংসনীয় উদ্যোগ । বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী । ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা ! পর্দা উঠছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ! ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব! হাবিপ্রবিতে সাবেক গাড়ি চালকের বেতন বৈষম্যের অভিযোগ ! দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেক দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ! ত্রিভুজ প্রেমের দ্বন্দ্বে চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে সিএনজি চালক খুন; গ্রেফতার-৩ ! বাজেট বক্তব্য শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী !

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেক দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে !

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেক দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে !

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির লেকটি এখন অনেক দর্শনার্থীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। একসময় এখানে ‘জিগাগাড়ি’ নামের একটি গ্রাম ছিল। ভূগর্ভস্থ কয়লা উত্তোলনের ফলে মাটি ধসে ৪০০ একর জমি তলিয়ে যায়, যেখানে গ্রামের বাড়িঘর ছিল। পরবর্তীতে সেখানে তৈরি হয় বিশাল এক জলাশয়, যা স্থানীয়দের কাছে ‘বড়পুকুরিয়া লেক’ নামে পরিচিত। বর্তমানে লেকটি দেখতে অনেকটা পর্যটন কেন্দ্রের মতো। জলের বুকে ছোট ছোট ঢেউ, দর্শনার্থীরা নৌকা ও স্পিড বোটে ভ্রমণ করছেন, আবার কেউ পানিতে নেমে ছবি তুলছেন। পাশে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ছোট মেলা, নাগরদোলা, চরকি ও ওয়াটার রোলার বলের ব্যবস্থা করেছেন। জলাশয়ের পাড়ে একটি ছোট মসজিদ ও কয়েকটি নারিকেল-খেজুর গাছ আগের গ্রামের অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে আছে। পার্বতীপুর উপজেলা শহর থেকে ১৩.২ কিলোমিটার ও ফুলবাড়ী উপজেলা শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই জলাশয়টি সরকারের পক্ষ থেকে ‘মৎস্য অভয়াশ্রম’ ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এলাকায় আসা দর্শনার্থীরা জানান, জায়গাটি তাদের ভালো লেগেছে। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে আসা মিনহাজুল বলেন, ‘জায়গাটি সত্যিই দারুণ সুন্দর।’ রংপুরের বদরগঞ্জ থেকে আসা নূরবানু আকতার বলেন, ‘এত সুন্দর জায়গা পাশের উপজেলায় আছে, তা দেখে বিশ্বাস হচ্ছে।’ দিনাজপুর শহর থেকে আসা হাকীম ও লিজা আক্তার জানান, নৌকায় ও স্পিড বোটে ঘুরে তারা মুগ্ধ হয়েছেন। তবে দর্শনার্থীদের মতে, এখানে পর্যাপ্ত বসার জায়গা, স্যানিটেশন সুবিধা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। এলাকার বেসরকারি চাকরিজীবি মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদ ও পূজায় লেকে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। খনি কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন যদি বেঞ্চ, টয়লেট, তথ্যকেন্দ্র ও লাইফগার্ডের ব্যবস্থা করে, তাহলে এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট