শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঘোড়াঘাটে বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বোচাগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কবিতা/শিক্ষার পরিচয়/লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও বর্বরোচিত নির্যাতন! বান্দরবানে নিখোঁজ হওয়া ৩ কিশোরী চট্টগ্রাম থেকে ৪ দিন পর উদ্ধার “বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস” উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ  দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার ও ভিডিপির ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করতে হবে —জহির উদ্দিন স্বপন টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন! কালাইয়ে সমবায়ীদের অংশগ্রহণে ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা !

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬



ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা !

 সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চেড়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গত ১৫ মাস ধরে বিদ্যুৎহীন পরিবেশে পাঠগ্রহণ করছে। বিদ্যালয়ের ট্রান্সফরমার চুরির পর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও এখনো নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়নি। তীব্র গরমে শ্রেণিকক্ষে ফ্যান না চলায় দুর্ভোগে পড়েছে শতাধিক শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন ১০ কেভিএ ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়। এরপর থেকে বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনে প্রায় ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ের কথা জানানো হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে ওই অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। চেড়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা গত ১৯ মে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক আবেদনে বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়াশোনা করছে। তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসও উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক রফিকুল ইসলাম, সালমা খাতুনসহ অনেকই জানান, সরকারি বিদ্যালয়ের ট্রান্সফরমার চুরি হলে তার ক্ষতিপূরণের অর্থ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে কেন? তাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সরকারিভাবে ট্রান্সফরমার সরবরাহ করে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হোক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, ‘এত গরমে শিশুরা শ্রেণিকক্ষে বসতে পারে না। ফ্যান না থাকায় অনেক সময় ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। দ্রুত সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বা প্রশাসনিক নির্দেশনা পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত ১১ জুনের এক পত্রে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়, ট্রান্সফরমার চুরির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা কষ্টের মধ্য দিয়ে পড়াশোনা করছে এবং পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ওই পত্রে বিদ্যালয়টিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালুর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews