শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে রহনপুরে ‘A+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২৬’ সম্পন্ন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এলাকা পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ! বান্দরবানে ইয়াবাসহ এগার মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার সাইবার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের ক্ষোভ: দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন: অন্ধকার পৃথিবীতে আলোর জাগরণ জলতরঙ্গ পয়েন্টে মর্মান্তিক ঘঠনা; সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, খোঁজ মিলছে না সঙ্গীর, চকবাজারে ২০ ইয়াবা সহ ২জন গ্রেফতার মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন কবি আল মুজাহিদী স্মৃতি পদক পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল বানিজ‍্য মেলার নামে চলছে রমরমাট জুয়ার ব‍্যবসা,প্রশাসনের নিরব ভুমিকায় জনমনে প্রশ্ন!

বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদারে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত !

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদারে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত !

 বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অভিবাসন, বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ইউরোপীয় কমিশনের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স, রিটার্নস অ্যান্ড ভিসা বিষয়ক পরিচালক হেনরিক নিলসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে বাংলাদেশের বহুমুখী অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় এই জোটের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বাংলাদেশ ও ইইউ’র মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চ-পর্যায়ের সফরের কথা স্মরণ করে তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্ধমান গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। আলোচনায় অভিবাসন ও মোবিলিটি সহযোগিতা বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। শামা ওবায়েদ মানব পাচার এবং সব ধরনের অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে তিনি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতে সরকারের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন। তিনি ইইউ’র ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ইইউভুক্ত দেশগুলোকে বৈধ উপায়ে অভিবাসনের নতুন পথ তৈরি করার পাশাপাশি দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী ও পেশাজীবীদের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। উভয় পক্ষ ইইউ’র আসন্ন অ্যাসাইলাম ও রিটার্ন বর্ডার প্রসিডিউর (আশ্রয় ও প্রত্যাবাসন সীমান্ত প্রক্রিয়া) বিষয়েও মতবিনিময় করে। এছাড়া অভিবাসন ও প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে নিবিড় সমন্বয়, নিয়মিত সংলাপ এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য চলমান প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন। এছাড়া আলোচনায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক ইস্যুগুলো ওঠে আসে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মনোনিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত এবং বর্ধমান অংশীদারিত্বের প্রতি উভয় পক্ষের সন্তোষ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews