1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বিশেষ সাক্ষাৎকার তীব্র সমালোচনার মুখেও অটল ইফার নতুন ডিজি ! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গোবিন্দগঞ্জে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বাড়িতে ডাকাতি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকারসহ  মালামাল লুট !  শৃঙ্খলার রাজপথ থেকে জনতার মঞ্চে, এ টি এম ফিরোজ মন্ডল ! এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল করে জমি দখলের চেষ্টা, অভিযোগকারীর সংবাদ সম্মেলন ! বিশেষ সাক্ষাৎকার তীব্র সমালোচনার মুখেও অটল ইফার নতুন ডিজি ! জেলা পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক২০২৬ অনুষ্ঠিত  ! সংগ্রাম ও মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন। ​জলবায়ু সংকট ও কাজের ভবিষ্যৎ: টেকসই ও ন্যায্য বাংলাদেশের পথে যাত্রা ! সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবি কঠোর সতর্ক অবস্থানে ! জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে, উন্নয়ন করতে হবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে ! পাবনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দুই কর্মকর্তার অপসারণ দাবীতে মানববন্ধন !

বিশেষ সাক্ষাৎকার তীব্র সমালোচনার মুখেও অটল ইফার নতুন ডিজি !

এ আর জাফরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিবিসি নিউজবিডি :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

বিশেষ সাক্ষাৎকার তীব্র সমালোচনার মুখেও অটল ইফার নতুন ডিজি !

 সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী। তাঁর এই নিয়োগের পর পরই দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে (দৈনিক কালবেলা) তাঁর শিক্ষা সনদ, বয়স, প্রশাসনিক ক্যারিয়ার এবং হজে যাওয়া নিয়ে “ভয়াবহ প্রতারণা-জালিয়াতি” শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনটি ধর্মীয় ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রকাশিত এই গুরুতর অভিযোগগুলোর সত্যতা কতটুকু? এর পেছনে কি কোনো গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে? সামগ্রিক বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করে বিবিসি নিউজবিডি’র নির্বাহী সম্পাদক ড. এ আর জাফরী মুখোমুখি হয়েছিলেন ইফার নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী-র। দীর্ঘ সেই সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য নিচে তুলে ধরা হলো।দাওরায়ে হাদিসের সনদ ও বয়স বিতর্ক—‘সবই সাজানো নাটক’এ আর জাফরী: আসসালামু আলাইকুম, মুহিববুল্লাহিল বাকী সাহেব। ইফার ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই আপনার বিরুদ্ধে শিক্ষা সনদ জালিয়াতি ও বয়স চুরির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দৈনিক কালবেলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে তদন্ত কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল হাটহাজারী মাদ্রাসায় গিয়ে আপনার দাওরায়ে হাদিসের সনদটি জাল হিসেবে শনাক্ত করেছেন। এই বিষয়ে আপনার স্পষ্ট বক্তব্য কী?মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: ওয়ালাইকুম আসসালাম। জাফরী সাহেব, আপনাকে এবং বিবিসি নিউজবিডি-র পাঠকদের ধন্যবাদ। শুরুতে আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে আনিত প্রতিটি অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আপনি যে তদন্ত রিপোর্টের কথা বললেন, সেটি যে কেউ চোখ বুলালেই বুঝবেন কতটা অবাস্তব এবং গাঁজাখোরী গল্প। রিপোর্টে বলা হয়েছে, তৎকালীন পরিচালক ইসলামিক মিশন জনাব আবু হেনা মোস্তফা কামাল ২০১৫ সালের ১২ জুলাই তদন্তে যান। ওই সময় ছিল পবিত্র রমজান মাস, মাদ্রাসা সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। তিনি সেখানে কোনো দাপ্তরিক কর্মকর্তার দেখা না পেয়ে ‘স্বঘোষিত’ দুইজন শিক্ষকের সাথে কথা বলেন। যারা আদতে শিক্ষক কিনা, তার কোনো প্রমাণ নেই! সেই পথচারী বা স্বঘোষিত ব্যক্তিদের মৌখিক কথার ওপর ভিত্তি করে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সনদকে ‘জাল’ বলে দেওয়া হলো? মাদ্রাসা খোলার পর তিনি কেন আর ভেরিফিকেশনে গেলেন না? মূলত আমার সনদের সত্যতা নিশ্চিত জেনেই, একটি মহলকে খুশি করতে এবং আমাকে হেয় করতে এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছিল।আমি আজকেও চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এখনো সুযোগ আছে। যে কেউ দারুল উলুম মইনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় গিয়ে আমার দাওরায়ে হাদিসের সনদ যাচাই করে আসতে পারেন। প্রতিবেদককে আমি নিজে অনুরোধ করার পরও তিনি আসল সত্য আড়াল করে ওই ত্রুটিপূর্ণ রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ করেছেন।এ আর জাফরী: আরেকটি বিষয়, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আপনি মাত্র ১৩ বছর ৭ মাস বয়সে দাখিল পাস করেছেন, যা গাণিতিকভাবে অসম্ভব এবং জালিয়াতির প্রমাণ। এই গাণিতিক জটিলতার ব্যাখ্যা কী?মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: দেখুন, এটি তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থার নিয়ম মেনেই হয়েছে। দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বয়সের বিষয়টি তৎকালীন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ছিল বলেই আমি পরীক্ষা দিতে পেরেছি। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো হাত ছিল না। বাংলাদেশে ১০ বছর বয়সে দাখিল পাস করার নজির কিন্তু এই একটিই নয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মো. আহসানুল্লাহ (রোল নম্বর: ৫৯৫৪) ১৯৭৪ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে দাখিল পাস করেছিলেন।বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। তাছাড়া, আমার দাখিলের মার্কশিট বা সনদে কোনো ত্রুটি থাকলে প্রতিবেদক তা দেখাতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা পারেননি। কারণ কাগজগুলো সম্পূর্ণ বৈধ। আর সবচেয়ে বড় কথা, ১৯৯৬ সালে আমার যখন চাকরি হয়, তখন কিন্তু দাখিল বা আলিমের সনদে হয়নি; আমি নিয়োগ পেয়েছিলাম আমার দাওরায়ে হাদিসের সনদের ভিত্তিতেই।এ আর জাফরী: একই বছরে দুই দেশে (বাংলাদেশ ও ভারত) পড়াশোনার যে অসঙ্গতির কথা বলা হয়েছে, সেটিকে কীভাবে দেখছেন?মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: এটিও একটি বিভ্রান্তি। বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দাখিল পাসের পর আমি যথানিয়মে বিরতি (গ্যাপ) নিয়ে ভারতের বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা’ থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করি। ফাজিলের সনদ ও নম্বরপত্রের শিক্ষাবর্ষে যদি কোনো টাইপিং বা দাপ্তরিক অসঙ্গতি থেকে থাকে, তবে সেটি মাদ্রাসা বোর্ডের নিজস্ব ক্ল্যারিক্যাল ভুল। এর সাথে আমার কোনো ব্যক্তিগত জালিয়াতি বা সম্পৃক্ততা নেই।প্রশাসনিক দ্বন্দ্ব ও পদোন্নতি জালিয়াতির অভিযোগ :এ আর জাফরী: আপনার দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে ২০০৮ সালে একবার সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন। বলা হচ্ছে, অসদাচরণের জন্য এটি হয়েছিল। এছাড়া অন্যের পদোন্নতির আদেশ এবং জ্যেষ্ঠতা তালিকা জালের অভিযোগও রয়েছে আপনার বিরুদ্ধে।মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: (হেসে) প্রশাসনিক সাধারণ প্রক্রিয়াগুলোকে কীভাবে “ষড়যন্ত্র” বা “অসদাচরণ” বানানো যায়, এটি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ২০০৮ সালের সেই সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি ছিল মূলত আমাকে সিলেকশন গ্রেড থেকে বঞ্চিত করার একটি নোংরা ষড়যন্ত্র। আমি যখন এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাই, তখন কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে তারা আদালতে টিকতে পারবে না। ফলস্বরূপ, ২০০৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কর্তৃপক্ষ আমার বদলি ও বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর আমি নিজেই ২৪ মার্চ মামলাটি ‘নট প্রেসড’ করি।আর অন্য ইমামের পদোন্নতি আদেশ জাল করার যে কথা বলা হচ্ছে, তা হাস্যকর। পদোন্নতির আদেশ কি কোনো গোপনীয় বিষয় যে তা জাল করতে হবে? জ্যেষ্ঠতা তালিকা জালিয়াতির যে রিট (নম্বর ৪১১৪/২০১৯) উল্লেখ করা হয়েছে, সেই তালিকাটি ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিজস্ব সিলেকশন কমিটির সভার কার্যবিবরণীতে (রেজুলেশন) আগে থেকেই সংযুক্ত ছিল। যেটি অফিশিয়াল রেজুলেশনেই যুক্ত আছে, সেটি আমার নতুন করে জাল করার প্রয়োজনটা কোথায়? অবৈধ হালাল সনদ ও শরিয়াহ বোর্ডের সদস্যপদ :এ আর জাফরী: আপনার বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযোগ হলো, আপনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অবৈধভাবে ‘হালাল সনদ’ দিয়েছেন এবং বিভিন্ন ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ডের সদস্য হয়ে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন। মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: প্রথমত, আমি কোনো অবৈধ সুবিধা বা ক্ষমতার অপব্যবহার করিনি। হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে একজন মুফতি হিসেবে হালাল-হারাম সংক্রান্ত ফতোয়া বা ধর্মীয় মতামত দেওয়া আমার ইসলামি দায়িত্ব ও এখতিয়ারের অংশ। তৎকালীন সময়ে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং দেশীয় পণ্য বিদেশে রপ্তানির সুবিধার্থে বাংলাদেশে হালাল সনদ দেওয়ার মতো কোনো ডেডিকেটেড সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। দেশের স্বার্থে কিছু রপ্তানিকারককে আমি হালাল মতামত বা সনদ দিয়েছিলাম। এই বিষয়ে ২০১৫ সালে তৎকালীন ডিজি আমাকে একটি গুরুদণ্ডের নোটিশ দিয়েছিলেন। আমি যখন এর সুনির্দিষ্ট আইনি ও ধর্মীয় ব্যাখ্যা পেশ করি, তখন তৎকালীন কর্তৃপক্ষ গুরুদণ্ড তো দূরের কথা, সামান্য লঘুদণ্ড দেওয়ার মতো কোনো আইনি সুযোগ না পেয়ে বিষয়টি সেখানেই ফাইল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।আর শরিয়াহ বোর্ডের সদস্য হওয়া কোনো লাভজনক বা নিয়মিত লাভজনক পদ নয়। এটি একটি খণ্ডকালীন পরামর্শক প্যানেল। বিদ্যমান সরকারি চাকরিবিধির সাথে এর কোনো সংঘাত নেই। আমার আগে ও পরে মুফতি নূরুদ্দীন সাহেব, মাওলানা মিজানুর রহমান সাহেবসহ বহু সম্মানিত আলেম এই দায়িত্ব পালন করেছেন। কাউকেই কোনোদিন এ বিষয়ে জবাবদিহি করতে হয়নি, তবে শুধু আমার বেলায় কেন এই দ্বিমুখী নীতি?  ‘প্রভাব খাটিয়ে’ বারবার রাষ্ট্রীয় খরচে হজ যাত্রা?এ আর জাফরী: প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আপনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রতি বছর সরকারি খরচে হজে গেছেন। সরকারি অর্থ অপচয়ের এই অভিযোগের সত্যতা কতটুকু?মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: এই দাবিটি অত্যন্ত দূরভিসন্ধিমূলক। আমি কখনোই প্রভাব খাটিয়ে হজে যাইনি। প্রতিটি সফর ছিল সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয়, অনুমোদিত এবং নিয়মতান্ত্রিক।আমি যখন ‘ডিজিটাইলেশন অব কোরআন’-এর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করি, তখন সেই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্র আমাকে এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার তৎকালীন প্রিন্সিপাল প্রফেসর এ.কে.এম ইয়াকুব হোসেনকে পুরস্কার হিসেবে সরকারি খরচে হজে পাঠায়। পরবর্তীতে আমি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মারুফ বঙ্গভবনে হজ প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করি। সেই সূত্রে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হিসেবে রাষ্ট্রীয় খরচে আমাদের হজের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর তিনবার আমি হজ প্রশাসনিক টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছি, যা সম্পূর্ণ দাপ্তরিক দায়িত্ব। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বহু কর্মকর্তা আছেন যারা প্রশাসনিক টিমে ৫ বারেরও বেশি হজে গেছেন। সেখানে আমার নিয়মতান্ত্রিক সফরগুলোকে এভাবে ব্যক্তিগত প্রভাব বা জালিয়াতি হিসেবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও শেষ কথা :এ আর জাফরী: ইফার বর্তমান পরিস্থিতি এবং আপনাকে নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে, এর পেছনে মূল কারণ কী বলে আপনি মনে করেন? মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: দেখুন, সরকার আমার যোগ্যতা ও দীর্ঘ কর্মজীবনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমাকে এই গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন। কিন্তু একটি কায়েমি স্বার্থան্বেষী মহল, যারা ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে নিজেদের আখের গোছানোর চারণভূমি বানাতে চায়, তারা আমার এই নিয়োগকে মেনে নিতে পারছে না। তারা ইফার চলমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমি এই অসত্য ও মানহানিকর রিপোর্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট পত্রিকায় এর আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে।এ আর জাফরী: আপনার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আশা করি সত্য উন্মোচিত হবে।মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: আপনাকে এবং বিবিসি নিউজবিডি পরিবারকেও ধন্যবাদ। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বেঁচে থাকুক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট