1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
মাদকে জিরো টলারেন্স ঘোষিত আড়াইহাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রধান বাধা পুলিশ! - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে ব‍্যবসা করি- মাদক ব্যবসায়ী!  সিলেটের মাগুরছড়া ট্র্যাজেডির ২৯ বছর আজ ! রংপুরে  পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ! পীরগঞ্জে স্বপ্নসারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ! জাতীয় শিক্ষাক্রমে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ! শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবিত পণ্য পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ! দিনাজপুরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের২৬তম ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ! পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ ! গোমস্তাপুর রোকনপুর সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ-ইন প্রতিহত করল বিজিবি ! ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা !

মাদকে জিরো টলারেন্স ঘোষিত আড়াইহাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রধান বাধা পুলিশ!

এফরান আলী, আড়াইহাজার ( নারায়ণগঞ্জ)
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশের কারণেই মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা বলে এলাকাবাসি মনে করেন। কারণ, মাদক মামলার আসামী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়িদের জনতার সামেন থেকে টেনে হেঁচড়ে ধরে থানা পর্যন্ত এনে সাধারণ জনগণের বাহবা কূড়ায় পুলিশ। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই যখন সেই আসামী অদৃশ্য কারণে থানা থেকে বের হয়ে এলাকায় গিয়ে বীর দর্পে ঘুরে বেড়ায় তখন এলাকাবাসির চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়। আশ্চর্য্য হয়ে জনগণ প্রশ্ন তোলে” এটা কোন আড়াইহাজার! এখানে জিরো টলারেন্স কোথায়?

এ ছাড়া মাদকের আসর থেকে ৪ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসে তাদেরকে ৩৪ ধারায় কোর্টে চালান করেছে পুলিশ। মাদকসেবী ও মাদক করাবারীরাও জানে যে, ৩৪ ধারায় চালান মানেই আদালতে হাজির হওয়া মাত্রই জামিন হয়ে যাবে। তাই তারা পুলিশকে ম্যানেজ করেই বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার হলেও তারা ৩৪ ধারায় চালান করতে রাজী করিয়ে নেয়।

গত মঙ্গলবার ( ২৮ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমার মুন্সি আড়াইহাজার উপজেলার রামচন্দ্রদীতে খাল খনন কর্মসূচিতে এসে জেলা প্রশাসক এবং নারায়ণগঞ্জ- ২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের উপস্থিতিতে হাজার হাজার সাধারণ জনতার মাঝে বক্তব্য দিতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জকে মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ঘোণণা করে গেছেন। কিন্তু এর মাত্র দুদিনের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের চৈতনকান্দা নয়াপাড়া এলাকার ফজর আলীর পুত্র বিশনন্দী ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, মাদক মালার আসামী শাহাপরাণ (৪০) কে মানিকপুর বাজার থেকে শত শত জনতার সামনে থেকে এস আই মাজহারুল এবং এস আই জহিরুলের নেতৃত্বে টেনে হেঁচড়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনার পর ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে আসে এবং এলকাবাসি পুলিশের আনেক গুণগান করতে থাকে। বিষয়টি ফেজবুকে বিভিন্ন আইডি থেকে ভাইরাল হয়। কিন্তু বিপত্তি বাধে তখনি, যখন থানায় আনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ অদৃশ্য কারণে শাহাপরাণকে থানা থেকে ছেড়ে দেয় এবং শাহপরাণ ছাড়া পেয়ে এলাকায় গিয়ে বীর দর্পে ঘুরা ফেরা করতে থাকে। এ দৃশ্য দেখে এলাকাবাসি তো সেই আশ্চর্য্য! এমন কি আলাদিনের আশচর্য্য প্রদীপ শাহাপরানের হাতে আছে যে, যাকে ইতি পূর্বে বেশ কিছু সংখ্যক ইয়াবাসহ আটক করে মামলা দিয়ে কোর্টে চালান করা হলো, জেল হাজতবাস করানো হলো, জামিনে এসে আবার বীর দর্পে মাদক ব্যবসা শুরু করলো, তাকে শতশত জনতার সামনে থেকে গরুর মত টেনে হেঁচড়ে গাড়ীতে তুলে থানায় নিয়ে আসা হলো, কিন্তু এক ঘন্টার ব্যবধানে সেই শাহাপরাণ কোন অদৃশ্য হাতের ছোঁয়ায় থানা থেকে বের হয়ে যায়।

এলাকাবাসি সন্দেহাপ্লুত মনে বলা বলি করছেন, পুলিশ সুপার যেখানে পুরো জেলার মাদক নিয়ন্ত্রণে জনসাধারণকে আশ^স্ত করে গেছেন, সেখানে থানা প ুলিশ যদি শাহাপরাণের মত চিহ্নিত ও মাদক মামলার আসামী ও মাদক ব্যবসায়ীকে জন সম্মুখ থেকে ধরে নিয়ে  এক ঘন্টার ব্যবধানে ছেড়ে দেয় সেখানে মাদক নির্মূল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?

এ ব্যাপারে থানার এস আই মাজহারুল ও এস আই জহিরুলকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। ওসি মো. আলাউদ্দিন জানান, শাহাপরাণের সাথে কোন মাদক দ্রব্য ছিলনা বলে তার কাছ থেকে মুচলেকা রেখে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মাদক সেবনের আসর থেকে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাত ১০টায় উপজেলার চালাকচর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় ‌। আটককৃতরা হলেন, মানিকপুর গ্রামের মৃত মতালিব এর ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩০), কাদির এর ছেলে কালাম (২৮), আব্দুর রহিম এর ছেলে সুন্দর আলী (২৫) ও সামসু হকের ছেলে শরীফ মিয়া (১৮) । এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার এএসআই মেহেদী হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে এ সময় তাদের কাছ থেকে অন্য কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়নি। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন জানান, আটক চারজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট