
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ নয়া-মার্কেট ব্রীজ সংলগ্ন মমতাজ অরফে জোসনা মার্কেটের স্বত্বাধিকারী মোবারক আলীর কেবলাকৃত ভোগ দখলীয় প্লটের উত্তরাংশের জমি দখলবাজ মানিক কাগজপত্রের তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক ভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রাতের অন্ধকারে উক্ত জমি দখল করেছে। সলফত বাদিয়া অরফে ডাবের ছেলে মানিক নামের ওই দখলদার। মোবারক আলী ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম ওরফে জোসনা জানান, আমাদের কেবলাকৃত ভোগদখলিয় জমির কাগজপত্রের তোয়াক্কা না করে মানিক নামের ওই দখলবাদ জোরপূর্বক ভাবে পাকাঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সেই স্থাপনায় গড়ে তুলেছে ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
ভুক্তভোগী জোসনা আরও জানান, জমি দখল ও ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ও নানা রকমের অনিষ্ট কাজে লিপ্ত রয়েছেন মানিক ও তার লোকজন। গত দুই তিন মাস যাবত ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ নয়া-মার্কেট ব্রীজ সংলগ্ন পশ্চিমঅংশে জমিতে নেকমরদ এলাকার ভূমিদস্যু ও দখলদার সলফত বাদিয়া অরফে ডাবের ছেলে মানিক আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মোবারক আলী ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম ওরফে জোসনার জমিতে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ করে ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা করছে। এ ব্যাপারে উক্ত তফসিলভুক্ত জমির মালিক মোবারক আলী ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম ওরফে জোসনা রানীসিংকেল থানা ও ঠাকুরগাঁও জজ আদালতে বিভিন্ন অভিযোগ দায়ের করেছে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ও রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন এবং প্রশাসনের দিক থেকে মানিক নামের ওই দখলদারকে স্থাপনা এবং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জোসনার অভিযোগে জানা যায়, আমরা মালিক পক্ষ মানিককে তার উপর্য পরি দখলের কর্মকাণ্ডে বাধা দিতে গেলে, জমির মালিক মমতাজ বেগম অরফে জোসনা ও তার একমাত্র ছেলেকে মারপিট, জখম করেন। আহত জোসনা ও তার ছেলেকে সেখানকার স্থানীয় লোকজন তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
এরই মধ্যে দখলদার মানিকতার লোকজন সুযোগ পেয়ে দিনরাত্রি তার পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জুরে দিয়ে আমার উক্ত জমি দখল করেছেন।