1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
রমজানে ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য: খোকসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
রিহ্যাবের নতুন সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক শেরপুরে মতিন হত্যার ২৯ মাস, বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ দাবি রংপুরের একটি  সেতুর অভাবে বিপাকে ২০ গ্রামের মানুষ ! কালীগঞ্জে ব্র্যাক ‘শিখা’ প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত টেকসই কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বায়ো পেস্টিসাইড ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় সড়কেই প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার টাংগাইলে তাহমিদ হজ গ্রুপ এর আয়োজনে হজ প্রশি ক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভুল চিকিৎসার অভিযোগে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে হামলা, গ্রেপ্তার- ২ মেঘনায় বিএনপি নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রমজানে ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য: খোকসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,

শেখ মোঃ আকরাম হোসেন, খোকসা (কুষ্টিয়া) 
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

রমজানে ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য: খোকসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা, জব্দকৃত গুড়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

খোকসা পৌরসভার কালীবাড়ি রোডস্থ ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিত্য গোপালের ভেজাল গুড় কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ এবং ৫৬৮ টিন ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান।
পুনরাবৃত্ত অপরাধের চিত্র স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র তিন দিন আগেই একই কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। তার মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবার ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হলো। প্রশ্ন উঠেছে-একাধিকবার জরিমানার পরও কেন বন্ধ হচ্ছে না এই কারখানাগুলো? ভয়ঙ্কর বাস্তবতা অভিযোগ রয়েছে, জরিমানার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কারখানা মালিকরা পরবর্তীতে আরও বেশি মাত্রায় ভেজাল মিশ্রণ করছে। অর্থাৎ, জরিমানার অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য সাধারণ মানুষের খাবারই হয়ে উঠছে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিষাক্ত। জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি পবিত্র মাহে রমজানে ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহৃত এই গুড়ের কারণে রোজাদাররা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। দোজালি ও আশপাশ এলাকায় ভেজাল গুড় উৎপাদন দীর্ঘদিনের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। প্রতি বছর ২–৩ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েও মালিকরা বহুগুণ বেশি লাভ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জনগণের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জব্দকৃত গুড় কি মালিকদের ফেরত দেওয়া হবে? এগুলো কি নদীতে ফেলে ধ্বংস করা হবে, নাকি নিলামে বিক্রি করা হবে? ল্যাব পরীক্ষার পর কি মালিকদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে? প্রশাসনের বক্তব্য
জব্দকৃত গুড়ের নমুনা ল্যাব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।ফলাফলের ভিত্তিতে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে জব্দকৃত গুড়ের চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এখনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সচেতন মহলের মন্তব্য এটি একটি চক্রবদ্ধ ভেজাল ব্যবসা, যা জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে।সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এভাবে অভিযান চলবে, না কি স্থায়ী সমাধান আসবে?” প্রশাসনের কার্যক্রমের কার্যকারিতা ও কঠোরতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত থেকে কমিশনার ( ভূমি) বলেন এ সমস্ত কারখানার মালিকদের ভেজাল গুড় তৈরি করার অপরাধে আইন অনুরাগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট