রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল রংপুরে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার কালিগঞ্জে বৃদ্ধাকে লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ জামালপুর বকশীগঞ্জ পুরাতন কারাগারে এখন মাদক সেবীদের আস্তানা রেলওয়ের অবহেলায় ভোগান্তি ও ঝুঁকিতে যাত্রীরা: নরসিংদী ও জিনারদীতে চরম দুর্ভোগ কবিতা /ছোট গল্প/ এম এম মিজান বিদেশি ফলে দিনাজপুরের যুবক কামাল পাবনায় গোপন কক্ষ থেকে চোরাই গরু উদ্ধার, যুবদল কর্মী আটক নিষিদ্ধ জালের ছোবলে হাকালুকি হাওর, অবাধে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহা-উৎসব তারাগঞ্জে ২ লাখ টাকার প্রকল্পের অনিয়ম ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে 

রমজানে ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য: খোকসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

রমজানে ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য: খোকসায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা, জব্দকৃত গুড়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

খোকসা পৌরসভার কালীবাড়ি রোডস্থ ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিত্য গোপালের ভেজাল গুড় কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ এবং ৫৬৮ টিন ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান।
পুনরাবৃত্ত অপরাধের চিত্র স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র তিন দিন আগেই একই কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। তার মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবার ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হলো। প্রশ্ন উঠেছে-একাধিকবার জরিমানার পরও কেন বন্ধ হচ্ছে না এই কারখানাগুলো? ভয়ঙ্কর বাস্তবতা অভিযোগ রয়েছে, জরিমানার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কারখানা মালিকরা পরবর্তীতে আরও বেশি মাত্রায় ভেজাল মিশ্রণ করছে। অর্থাৎ, জরিমানার অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য সাধারণ মানুষের খাবারই হয়ে উঠছে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিষাক্ত। জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি পবিত্র মাহে রমজানে ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহৃত এই গুড়ের কারণে রোজাদাররা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। দোজালি ও আশপাশ এলাকায় ভেজাল গুড় উৎপাদন দীর্ঘদিনের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। প্রতি বছর ২–৩ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েও মালিকরা বহুগুণ বেশি লাভ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জনগণের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জব্দকৃত গুড় কি মালিকদের ফেরত দেওয়া হবে? এগুলো কি নদীতে ফেলে ধ্বংস করা হবে, নাকি নিলামে বিক্রি করা হবে? ল্যাব পরীক্ষার পর কি মালিকদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে? প্রশাসনের বক্তব্য
জব্দকৃত গুড়ের নমুনা ল্যাব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।ফলাফলের ভিত্তিতে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে জব্দকৃত গুড়ের চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এখনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সচেতন মহলের মন্তব্য এটি একটি চক্রবদ্ধ ভেজাল ব্যবসা, যা জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে।সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এভাবে অভিযান চলবে, না কি স্থায়ী সমাধান আসবে?” প্রশাসনের কার্যক্রমের কার্যকারিতা ও কঠোরতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত থেকে কমিশনার ( ভূমি) বলেন এ সমস্ত কারখানার মালিকদের ভেজাল গুড় তৈরি করার অপরাধে আইন অনুরাগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews