1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
ক্লিনিক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সরকারি চিকিৎসা তালাবদ্ধ শত কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
রিহ্যাবের নতুন সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক শেরপুরে মতিন হত্যার ২৯ মাস, বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ দাবি রংপুরের একটি  সেতুর অভাবে বিপাকে ২০ গ্রামের মানুষ ! কালীগঞ্জে ব্র্যাক ‘শিখা’ প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত টেকসই কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বায়ো পেস্টিসাইড ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় সড়কেই প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার টাংগাইলে তাহমিদ হজ গ্রুপ এর আয়োজনে হজ প্রশি ক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভুল চিকিৎসার অভিযোগে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে হামলা, গ্রেপ্তার- ২ মেঘনায় বিএনপি নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ক্লিনিক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সরকারি চিকিৎসা তালাবদ্ধ শত কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন

শেখ মোঃ আকরাম হোসেন, খোকসা, কুষ্টিয়া
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

ক্লিনিক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সরকারি চিকিৎসা তালাবদ্ধ শত কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন, হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে, কিন্তু রোগ নির্ণয়ের আধুনিক যন্ত্রপাতি অচল-রোগীদের বলা হচ্ছে “এখানে পরীক্ষা হয় না”, বাধ্য হয়ে ছুটতে হচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিকে

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা চলমান থাকলেও রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, হাসপাতালের ভেতরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার রোগ নির্ণয় মেশিন থাকলেও সেগুলো ব্যবহার না করে রহস্যজনকভাবে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে থাকা গুরুত্বপূর্ণ রোগ নির্ণয় মেশিনগুলো কার্যত তালা বন্ধ করে অচল অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়েছে, ফলে সেগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ এসব যন্ত্রপাতি সচল থাকলে সাধারণ রোগীরা স্বল্প খরচে সরকারি হাসপাতালেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারতেন।

ভুক্তভোগী রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে আসার পর অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসকেরা তাদের বলে থাকেন“এই ধরনের পরীক্ষা এখানে করার ব্যবস্থা নেই, বাইরে থেকে করাতে হবে।” অথচ বাস্তবে হাসপাতালের ভেতরেই সেই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট কিছু বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে, যেখানে একই পরীক্ষার জন্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, সরকারি হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা অচল রেখে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকমুখী করার একটি সিন্ডিকেটভিত্তিক কমিশন বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শত কোটি টাকার আধুনিক রোগ নির্ণয় যন্ত্রপাতি পড়ে রয়েছে। কিন্তু নানা অজুহাতে সেগুলো চালু করা হচ্ছে না। বরং যখনই এগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন আশপাশের কয়েকটি জেলার বেসরকারি ক্লিনিক মালিকদের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

সচেতন মহলের মতে, যদি সরকারি হাসপাতালের রোগ নির্ণয় যন্ত্রপাতি ইচ্ছাকৃতভাবে অচল করে রাখা হয়ে থাকে, তবে তা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়-এটি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা অধিকারকে বিপন্ন করার শামিল। দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট