
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইলেকট্রিশিয়ান মনজুরুল ইসলামের (৪৫) হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী। গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার ৩০ মিনিটে উপজেলার নতুন চৌপথী বাসষ্ট্যাণ্ডে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়।
এসময় এলাকাবাসীরা জানান, মনজুরুল ইসলাম একজন ইলেকট্রিশিয়ান ছিলো। সে বিদ্যুতের কাজ করে জীবনযাপন করছিলো। সাদামাটা জীবনযাপন করতো সে। কারও সাথে কোন বিশৃঙ্খলায় জড়াতো না মনজুরুল ইসলাম। তাঁর এই হত্যায় কান্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এক ঘণ্টা ধরে ।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা উত্তেজিত এলাকাবাসীকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায়,ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোনাব্বর হোসেন ও তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত এলাকাবাসীকে সান্তনা ও সঠিক বিচারের আশ্বাস দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসলে, আটকে পড়া যানবাহন ছেড়ে দেওয়া হয়।উল্লেখ্য গত, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় মনজুরুল ইসলাম। এরপর থেকে আর বাড়িতে ফিরেনি মনজুরুল ইসলাম। পরে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা মাজারের কাছে আলুখেতে মাটি দিয়ে ঢেকে রাখা লাশ উদ্ধার করে তারাগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা। মনজুরুল ইসলাম পেশায়, তারাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করতো। মনজুরুল ইসলাম উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের ফরিজ উদ্দিনের ছেলে।