বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক সোনারগাঁয়ে ১,৩০০ ফুট আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন ! ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে হাবিপ্রবিতে নির্মিত হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার নামে ১২ তলা মেগা ছাত্রী হল অনৈতিক সম্পকের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ড, সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং’ প্রবিধানমালা বাস্তবায়নের দাবি আহ্ছানিয়া মিশনের কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা

ছাত্রদের লুকিয়ে রাখা ১০ টি  মোবাইল ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভাঙলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদীর রামচন্দ্রদী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের লুকিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে অন্তত ১০টি মোবাইল ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ হাতুড়ি ও কুড়াল দিয়ে মোবাইলগুলো ভেঙে দেন বলে জানা গেছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণের এই ঘটনার ভিডিও পাওয়া যায়। ঘটনার সময় মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে বেলতে শোনা যায়, “ বিষয়টি যে যত পার মেয়ার করে দেও ”।এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ বলেন, মাদ্রাসার নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। কেউ মোবাইলসহ ধরা পড়লে তা ভেঙে ফেলা এবং শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের বিধান রয়েছে। ভর্তির সময়ই এই নিয়ম অভিভাবকদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

তিনি আরও জানান, এর আগেও কয়েক দফা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল জব্দ করা হয়েছিল। তখন অভিভাবকদের জানালে তারা মোবাইল ভেঙে ফেলার সম্মতি দেন।তবে এত গুলো দামী মোবাইল ফোন এক সঙ্গে ভেঙ্গে ফেলার কারণে কেউ কেউ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন। তাদের অভিমত, “ এতগুলো দামী মোবাইল ফোন এক সঙ্গে ভেঙ্গে না ফেলে যার যার অভিভাবকের কাছে দিয়ে ও দিতে পারতেন।অনেকে বলেন, প্রধান শিক্ষক মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সাবেক আওয়ামীলীগ নেতা ও গোপালদী পৌরসভার সাবেক মেয়র হালিম সিকদারের আত্মীয় হওয়ায় ক্ষমতার দম্ভে এমন কাজটি করেছেন।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার সভাপতি মোহাম্মদ মুছা মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি মাদ্রাসা প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধান শিক্ষক মাদ্রাসার রেজুলেশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে তাকে জানিয়েছেন। এ ঘটনা পর্যালোচনার জন্য আগামী শনিবার একটি সভা ডাকা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews