1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
ছাত্রদের লুকিয়ে রাখা ১০ টি  মোবাইল ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভাঙলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গোবিন্দগঞ্জে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ বোতল ফেয়ারডিল’সহ ২ নারী আটক ! শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান জনগণ। লক্ষ্মীপুরে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। আড়াইহাজারে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বিএনপি নেতা । তিন দশক ধরে বঞ্চিত ইরাক-কুয়েত প্রত্যাগতরা: ১০ দফা দাবিতে সোচ্চার বাংলাদেশ কল্যাণ সমিতি জয়পুরহাটে ইজি ফ্যাশানের শোরুম উদ্বোধন । শেরপুরের শ্রীবরদী  উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়ন  সেতুর অর্ধেক অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে! লক্ষ্মীপুরে কৃষকদের GAP সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। সিলেট জুড়ে হাওরপাড়ের কৃষকের মাঝে এখন হাহাকার ও দীর্ঘশাস ! মডেল মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের জন্য নয়, বরং ইসলামিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সামাজিক মূল্যবোধ বিকাশের কেন্দ্র- এটিএম কামরুল ইসলাম

ছাত্রদের লুকিয়ে রাখা ১০ টি  মোবাইল ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভাঙলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক

এফরান আলী, আড়াইহাজার ( নারায়ণগঞ্জ)
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদীর রামচন্দ্রদী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের লুকিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে অন্তত ১০টি মোবাইল ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ হাতুড়ি ও কুড়াল দিয়ে মোবাইলগুলো ভেঙে দেন বলে জানা গেছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণের এই ঘটনার ভিডিও পাওয়া যায়। ঘটনার সময় মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে বেলতে শোনা যায়, “ বিষয়টি যে যত পার মেয়ার করে দেও ”।এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ বলেন, মাদ্রাসার নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। কেউ মোবাইলসহ ধরা পড়লে তা ভেঙে ফেলা এবং শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের বিধান রয়েছে। ভর্তির সময়ই এই নিয়ম অভিভাবকদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

তিনি আরও জানান, এর আগেও কয়েক দফা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল জব্দ করা হয়েছিল। তখন অভিভাবকদের জানালে তারা মোবাইল ভেঙে ফেলার সম্মতি দেন।তবে এত গুলো দামী মোবাইল ফোন এক সঙ্গে ভেঙ্গে ফেলার কারণে কেউ কেউ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন। তাদের অভিমত, “ এতগুলো দামী মোবাইল ফোন এক সঙ্গে ভেঙ্গে না ফেলে যার যার অভিভাবকের কাছে দিয়ে ও দিতে পারতেন।অনেকে বলেন, প্রধান শিক্ষক মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সাবেক আওয়ামীলীগ নেতা ও গোপালদী পৌরসভার সাবেক মেয়র হালিম সিকদারের আত্মীয় হওয়ায় ক্ষমতার দম্ভে এমন কাজটি করেছেন।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার সভাপতি মোহাম্মদ মুছা মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি মাদ্রাসা প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধান শিক্ষক মাদ্রাসার রেজুলেশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে তাকে জানিয়েছেন। এ ঘটনা পর্যালোচনার জন্য আগামী শনিবার একটি সভা ডাকা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট