বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরদীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩ ইয়াবা সেবীর ৫ মাস করে কারাদণ্ড পিরোলী খানকাহপাড়া সবুজ সংঘের উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ নৌপথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের মানববন্ধন রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার প্রবেশ মুখে পিলারে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতিক সোনারগাঁয়ে ১,৩০০ ফুট আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন ! ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে হাবিপ্রবিতে নির্মিত হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার নামে ১২ তলা মেগা ছাত্রী হল অনৈতিক সম্পকের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ড, সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং’ প্রবিধানমালা বাস্তবায়নের দাবি আহ্ছানিয়া মিশনের কালিহাতীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে কৃষকের জালে আটকা পড়া বিরল প্রজাতির হিমালয়ান শকুন উদ্ধার

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে কৃষকের জালে আটকে বিরল প্রজাতির একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নে বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকায় শকুনটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি কৃষিজমির পাশে ছাগল বাঁধা ছিল। ছাগল ধরার উদ্দেশ্যে শকুনটি নিচে নামার সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে যায় এবং জমিতে ব্যবহৃত জালের সঙ্গে আটকে পড়ে। পরে স্থানীয় কৃষক আক্কেল আলী ও তার ছেলে তারেক শকুনটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন।

খবরটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিষয়টি দেবীগঞ্জ উপজেলা বনবিভাগকে অবহিত করেন। পরে বনবিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শকুনটিকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

হিমালয়ান শকুন উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবীগঞ্জ উপজেলা বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘সন্ধ্যায় একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। শকুনটির ওজন আনুমানিক ৯ কেজি। স্থানীয়রা খবর দিলে বনবিভাগের স্টাফরা গিয়ে সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। শকুনটিকে দিনাজপুরের সিংড়া ফরেস্টে পাঠানো হবে।’

উল্লেখ্য, হিমালয়ান শকুন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিকারী পাখি এবং এশিয়ার অন্যতম বড় শকুন প্রজাতি। ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ নামে পরিচিত। হিমালয় পর্বতমালা ও তিব্বতি মালভূমি এদের প্রধান আবাসস্থল। প্রতি বছর শীতকালে (অক্টোবর থেকে মার্চ) প্রচণ্ড ঠান্ডা ও খাবারের সন্ধানে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ এই যাত্রায় ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত হয়ে অনেক সময় লোকালয় কিংবা ধানক্ষেতে অসহায় অবস্থায় পড়ে যেতে দেখা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews