1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
তারাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের খামখেয়ালিপনা ও অনিয়ম: সীমাহীন ভোগান্তিতে গ্রাহকরা - দৈনিক ভোরের আওয়াজ
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চাটখিলে ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় গ্রাহকদের মানববন্ধন: স্মারকলিপি হস্তান্তর ! তারাগঞ্জে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ! চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ। ইসলামী ব্যাংক সমুহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে জয়পুরহাটে মানববন্ধন ! নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে সহকারি সচিব ! ঈদযাত্রা নয়, মৃত্যুযাত্রা! কুষ্টিয়ার মহাসড়কে লাশের মিছিল  ! ইসলামি ব্যাংকিং ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চৌদ্দগ্রামে গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন ! সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম ! গৌরনদীর ভূমি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করে প্রশংসায় ভাসছেন এসিল্যান্ড ! উদিয়মান মডেল  নাহিদুল ইসলাম নাহিদ

তারাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের খামখেয়ালিপনা ও অনিয়ম: সীমাহীন ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

মোঃ আলমগীর হোসেন লেবু  , রংপুর 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন তারাগঞ্জ সাব-জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খামখেয়ালিপনা, দায়িত্বহীনতা ও অনিয়মে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উপজেলার প্রায় ২ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহককে।
নিয়মিত মিটার রিডিং না নেওয়া, অনুমান ভিত্তিক বা ইচ্ছেমতো বিল প্রস্তুত, বিল পরিশোধের পরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং পুনঃসংযোগের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলছে।  ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই মাসের পর মাস মিটার রিডিং নেওয়া হয় না। ফলে প্রকৃত ব্যবহার না দেখেই অনুমানভিত্তিক অতিরিক্ত বিল ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের।
উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঝারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাহেব আলী অভিযোগ করে বলেন,আমার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ৭ জানুয়ারি ২০২৬। নির্ধারিত ওই দিনই ব্যাংকে বিল পরিশোধ করতে গেলে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ই.সি  আইয়ুব আলী কোন কথা না শুনেই  আমার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। অফিসে গিয়ে কারণ জানতে চাইলে তারা দায়িত্ব এড়িয়ে যায়। এতে আমার পরিবার পরিবারের শিশু ও বয়স্ক সদস্যরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
একই ইউনিয়নের গ্রাহক পারভিন জানান, বিল পরিশোধের রশিদ দেখানোর পরও সংযোগ পুনরায় চালু করতে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা ‘লাইন চার্জ’ বা ‘খরচ’ এর নামে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন।
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক গ্রাহকের বা বড় ব্যবসায়ীদের বিপুল অঙ্কের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট লাইনম্যানদের  ও অফিসের কর্তা ব্যক্তিদের উৎকোচ দিয়ে সংযোগ বহাল রাখা হচ্ছে।  বিদ্যুৎ বিল দিতে আসা ইকরচালী ইউনিয়নের দোহাজারি গ্রামের সবুজ মিয়া বলেন  বলেন, “যারা টাকা দেয়, তাদের জন্য সব নিয়ম শিথিল। আর যারা নিয়ম মেনে চলে, তারাই বেশি হয়রানির শিকার হয়।
বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আরও অভিযোগ, সাব-জোনাল অফিসে কোনো সমস্যা নিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যায় না। উল্টো দুর্ব্যবহার ও হয়রানির শিকার হতে হয়।  অভিযোগ গ্রহণ বা সমাধানের জন্য কার্যকর কোনো গ্রাহক সেবা ব্যবস্থাও নেই।
অপরদিকে এ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের জিম্মি করে অনৈতিক সুবিধা আদায় করছে। এ বিষয়ে তারাগঞ্জ সাব জোনাল অফিসে ডিজিএম মোঃ শরিফ লেহাজ আলী এর কাছে অভিযোগের বিষয়গুলি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু সমস্যা থাকতেই পারে। এর বাইরে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট