1. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
  2. info@www.bhorerawaj.com : দৈনিক ভোরের আওয়াজ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শরীয়তপুরের রুদ্রকরে দোয়া মাহফিল চকরিয়ায় অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দুই জনকে ২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড মেহেন্দিগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভোটার শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্পর্কিত লার্নিং শেয়ারিং সভা শ্রীবরদীতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সম্পাদিত সব বিনিয়োগ ও ক্রয় চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীর পদ্মায় কুমিরের দেখা, নদীপাড়জুড়ে চরম আতঙ্ক কালীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী জামাই মেলায় মানুষের ঢল পাবনায় গাজর আবাদে ভাগ্যবদল চাষীদের ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের রাতব্যাপী অভিযানে মাহিন্দ্র–ট্রাকসহ একাধিক অবৈধ যানবাহন আটক, একাধিক মামলা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ

পাবনায় গাজর আবাদে ভাগ্যবদল চাষীদের

কাজী বাবলা, পাবনা:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

পাবনায় শীতকালীন সবজি গাজর আবাদে আর্থিক স”ছলতায় ভাগ্য বদলেছে চাষীদের। এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে গাজর আবাদ। কৃষি জমি ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় শীতকালীন এই সবজির ফলন হয়েছে। এবছর ১১৫০ হেক্টর জমিতে গাজর আবাদ হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে গাজর চাষে খরচ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। একবিঘা জমিতে উৎপাদিত গাজর বিক্রি হয় প্রায় ১লাখ ২০ হাজার টাকা। পাবনা অঞ্চলের গাজর স্বাদ ও পুষ্টিগুন সম্পন্ন হওয়ায় বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় গাজর আবাদে বাড়ছে চাষীর সংখ্যা। জানা গেছে, শীত মৌসুমের শুরুতে গাজরের ব্যাপক দাম পাওয়ায় আগাম গাজর চাষীরা করেছে বাজিমাত। ধীরে ধীরে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে গাজরের দাম কিছুটা কমলেও ব্যাপক ফলন হওয়ায় লাভবান হচ্ছে  কৃষক। এছাড়াও এখানকার গাজর স্বাদ ও পুষ্টিগুন সম্পন্ন হওয়ায়   স্থানীয় ও জাতীয় বাজারে রয়েছে প্রচুর চাহিদা। ফলে ক্রমান্বয়েবাড়ছে গাজর চাষীর সংখ্যা।কৃষকরা জানান, গাজর বীজ ও সারের উপর সরকারী ভর্তুকি এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে সম্ভাবনাময় এই শীতকালীন সবজি পাবনার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে মনে করেন। তবে গাজর আবাদে প্রণোদনা দেওয়ার
সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষকরা আরো জানান, গাজরের বীজ বপনের ৩ মাসের মধ্যে ফসল ওঠানো সম্ভব হয়। প্রতিবিঘা জমিতে গাজর চাষের জন্য খরচ হয় ৪৫-৫৫ হাজার টাকা। তবে একবিঘা জমিতে উৎপাদিত গাজর ১লাখ টাকা থেকে ১লাখ ২০ হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব।
এমনকি আগাম গাজর চাষীগণ বিঘা প্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষিকুন্ডা, সাহাপুর এবং সলিমপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গাজরের আবাদ হলেও প্রায় সকল এলাকায় এখন এই সবজি চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবছর শুধুমাত্র ঈশ্বরদীতেই ১১৫০ হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। গাজর চাষী আজিম বলেন, এবছর ১০ বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে, বাজারে দামও মোটামুটি ভালো। উৎপাদিত গাজর মান অনুযায়ী বিঘাপ্রতি ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গাজরের বীজ ও সারের দাম একটু কম হলে আমরা বেশি লাভবান হতে পারি। আরেক গাজর চাষী নাছির উদ্দিন বলেন, এবছর প্রায় ৬০ বিঘা জমিতে আমি গাজর চাষ করেছি। নিজের চাষকৃত গাজরের পাশাপাশি আমি অন্যের ক্ষেত থেকে গাজর কিনে বিক্রি করি। সার ও বীজের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেশি হচ্ছে, যেকারণে অতিরিক্ত মূল্যে কিনতে হচ্ছে। বাজারদর ভালো আছে, আশা করছি খরচ বাদ দিয়ে এবছর ১৫-২০ লাখ
টাকা লাভ থাকবে। পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিক জানান, ঈশ্বরদীতে প্রতি বছরই বাড়ছে গাজর চাষ। এবছর ১১৫০ হেক্টর জমিতে গাজর চাষ হয়েছে।
প্রতিবারের মত এবারও ফলন খুব ভালো হয়েছে। এবছর প্রতি হেক্টর জমিতে ৪০-৫০ মেট্রিক টন গাজর উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে গাজর চাষীদের বীজ সহায়তা দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি। তবে গাজর আবাদে অন্যান্য সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট